ঢাকা ০৭:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ৭ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মিয়ানমারের ১৩ মর্টারশেল বাংলাদেশে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:১৯:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৪ ৬৩ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

মিয়ানমারে সেনাবাহিনী ও সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলো লাগাতার সংঘর্ষ চলছে। সীমান্ত এলাকায় লাগাতার সংঘর্ষ চলাকালেই ১৩ মর্টারশেল এসে

পড়লো বাংলাদেশে। বাংলাদেশ থেকেই শোনা যাচ্ছে গোলাগুলির বিকট শব্দ।

শুধু শব্দ নয়, শনিবার বাংলাদেশের ঘুমধুম ও পালংখালী সীমান্ত এলাকায় ১৩টি মর্টারশেল ও একটি বুলেট এসে পড়ে। এতে করে স্থানীয়

বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

রবিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিজিবির তরফে এ বিষয়ে জানানো হয়েছে। বাংলাদেশ মিয়ানমারের কাছে প্রতিবাদ পাঠিয়েছে। ঘটনার পর

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল এ কে এম নাজমুল হাসান।

এদিন উখিয়ার পালংখালী এবং বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির তুমব্রু ও ঘুমধুম এবং টেকনাফের হোয়াইক্যং বিওপি ও সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন করেন

তিনি। সীমান্ত পরিদর্শনকালে বিজিবি মহাপরিচালক সীমান্তে দায়িত্বরত সব পর্যায়ের বিজিবি সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং সবাইকে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সীমান্তে উদ্ভূত যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেন।

মিয়ানমারের রাখাইনে সেনাবাহিনীর সঙ্গে সে দেশের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির সংঘাত চলছে গত কয়েকমাস ধরে। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমের তথ্য মতে, রাখাইনের বেশিরভাগ এলাকা ইতিমধ্যে বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি দখলে নিয়েছে। যে কারণে সেখানে লড়াই চলমান থাকায় যার প্রভাব বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে পড়েছে।

বিশেষ করে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম, উখিয়ার পালংখালী ও টেকনাফের হোয়াইক্যং সীমান্ত এলাকার মিয়ানমারের গোলাগুলি ও

মর্টারশেলের শব্দে সীমান্তবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published.

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

মিয়ানমারের ১৩ মর্টারশেল বাংলাদেশে

আপডেট সময় : ০৯:১৯:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৪

 

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

মিয়ানমারে সেনাবাহিনী ও সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলো লাগাতার সংঘর্ষ চলছে। সীমান্ত এলাকায় লাগাতার সংঘর্ষ চলাকালেই ১৩ মর্টারশেল এসে

পড়লো বাংলাদেশে। বাংলাদেশ থেকেই শোনা যাচ্ছে গোলাগুলির বিকট শব্দ।

শুধু শব্দ নয়, শনিবার বাংলাদেশের ঘুমধুম ও পালংখালী সীমান্ত এলাকায় ১৩টি মর্টারশেল ও একটি বুলেট এসে পড়ে। এতে করে স্থানীয়

বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

রবিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিজিবির তরফে এ বিষয়ে জানানো হয়েছে। বাংলাদেশ মিয়ানমারের কাছে প্রতিবাদ পাঠিয়েছে। ঘটনার পর

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল এ কে এম নাজমুল হাসান।

এদিন উখিয়ার পালংখালী এবং বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির তুমব্রু ও ঘুমধুম এবং টেকনাফের হোয়াইক্যং বিওপি ও সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন করেন

তিনি। সীমান্ত পরিদর্শনকালে বিজিবি মহাপরিচালক সীমান্তে দায়িত্বরত সব পর্যায়ের বিজিবি সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং সবাইকে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সীমান্তে উদ্ভূত যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেন।

মিয়ানমারের রাখাইনে সেনাবাহিনীর সঙ্গে সে দেশের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির সংঘাত চলছে গত কয়েকমাস ধরে। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমের তথ্য মতে, রাখাইনের বেশিরভাগ এলাকা ইতিমধ্যে বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি দখলে নিয়েছে। যে কারণে সেখানে লড়াই চলমান থাকায় যার প্রভাব বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে পড়েছে।

বিশেষ করে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম, উখিয়ার পালংখালী ও টেকনাফের হোয়াইক্যং সীমান্ত এলাকার মিয়ানমারের গোলাগুলি ও

মর্টারশেলের শব্দে সীমান্তবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।