রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:৪৮ অপরাহ্ন

বিমানবন্দরের টানেলে যুক্ত থাকবে হজক্যাম্প

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • Update Time : শনিবার, ৫ জুন, ২০২১
  • ৪০ Time View

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের নির্মাণ কাজ লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি এগিয়েছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী।  টার্মিনালের আকার বর্তমান বিমানবন্দরের দুই গুণেরও বেশি হবে বলে জানান তিনি। শনিবার  বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের নির্মাণ কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের সঙ্গে আশকোনার হজক্যাম্প থেকে একটি টানেল যুক্ত থাকবে জানিয়ে মাহবুব আলী বলেন, এই টানেলের মাধ্যমে সম্মানিত হাজিরা হজক্যাম্প থেকে সরাসরি বিমানবন্দরে প্রবেশ করতে পারবেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০২১ সালের জুনে তৃতীয় টার্মিনালের ১৪ দশমিক ৫ ভাগ কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। এখনও পর্যন্ত কাজ শেষ হয়েছে সাড়ে ১৭ ভাগ।  টার্মিনালের সঙ্গে মেট্রোরেল সংযুক্ত থাকবে। টার্মিনালটি হবে সম্পূর্ণ অটোমেটেড। দৃষ্টিনন্দন এই বিমানবন্দরে পা রেখেই একজন বিদেশি বাংলাদেশের সৌন্দর্য অনুধাবন করতে পারবেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোভিডের আগ্রাসনে সারাবিশ্ব যখন থমকে ছিল তখনও একদিনের জন্যেও বন্ধ হয়নি টার্মিনালের নির্মাণকাজ। ২০২৩ সালের জুন মাসে এই টার্মিনালের নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। তবে আমরা আশা করছি নির্ধারিত সময়ের আগেই কাজ শেষ হবে।

শনিবার দুপুরে টার্মিনালের নির্মাণকাজ পরিদর্শন করেন প্রতিমন্ত্রী। তাকে কাজের সার্বিক অগ্রগতি জানান সাইট ম্যানেজাররা। এ সময় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোকাম্মেল হোসেন, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মফিদুর রহমান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. আবু সালেহ মো. মোস্তফা কামালসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শাহজাললাল বিমানবন্দরের পাঁচ লাখ ৪২ হাজার বর্গমিটারের তৃতীয় টার্মিনালটিতে একসঙ্গে ৩৭টি প্লেন রাখার অ্যাপ্রোন (প্লেন পার্ক করার জায়গা) করা হয়েছে। টার্মিনাল ভবন হবে দুই লাখ ৩০ হাজার স্কয়ার মিটারের। যার ভেতরে থাকবে পৃথিবীর উল্লেখযোগ্য ও অত্যাধুনিক সব প্রযুক্তির ছোঁয়া।

বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে মেট্রোরেল। তৈরি হবে পৃথক একটি স্টেশনও। এর মাধ্যমে বাংলাদেশে আসা যাত্রীরা বিমানবন্দর থেকে বের না হয়েই মেট্রোরেলে করে নিজেদের গন্তব্যে যেতে পারবেন। এছাড়া ঢাকার যেকোনো স্টেশন থেকে মেট্রোরেলের মাধ্যমে সরাসরি বিমানবন্দরের বহির্গমন এলাকায় যাওয়া যাবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2017 voiceekattor
কারিগরি সহযোগিতায়: সোহাগ রানা
11223