ঢাকা ১০:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশের সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সাইনবোর্ড ‘বাংলা’ নিশ্চিতে ডিএনসিসির ভ্রাম্যমাণ আদালত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২১ ২২৪ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সাইনবোর্ডে বাংলা লেখা নিশ্চিতে ডিএনসিসির ভ্রাম্যমাণ আদালত। ছবি: সংগৃহীত

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

ফেব্রুয়ারি মাস আসলেই সকল সাইনবোর্ড বাংলায় লেখা নিয়ে আলোচনাটা বেশ জমে ওঠে। এবারে কোন আলোচনা নয়। অনেক বলা হয়েছে। তাই বুলড্রোজার নিয়ে সরাসরি ইংরেজি সাইনবোর্ড উচ্ছেদে মাঠে নামে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ( ডিএনসিসি)। বাংলাদেশের সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সাইনবোর্ড ‘বাংলা’ নিশ্চিত করতেই ডিএনসিসির এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা।

এরই মধ্যে ডিএনসিসি সাইনবোর্ড ও নামফলকে বাংলা লেখা নিশ্চিত করতে ৫ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রমমাণ আদালত পরিচালনা শুরু করে দিয়েছে। অভিযানের অংশ হিসেবে অভিজাত বনানী-গুলশান এলাকার বেশ কিছু ইংরেজি লেখা সাইনবোর্ড অপসারণ করা হয়েছে। ১৮ ফেব্রুয়ারির ওই অভিযান চলে কামাল আতাতুর্ক এভিনিউ ও রামপুরা এলাকায়।

কামাল আতাতুর্ক এভিনিউতে অভিযানকালে অঞ্চল-৩ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল্লাহ আল বাকীর নেতৃত্বে পরিচালিত মোবাইল কোর্ট কর্তৃক সাইনবোর্ড বাংলা ভাষায় না লেখায় ১০টি ভবন ও প্রতিষ্ঠানকে মোট ৫৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছেন। আহমেদ টাওয়ার, এ আর টাওয়ার, সফুরা টাওয়ার, ইরেকার্ট হাউজ, বোরাক টাওয়ার, এসুরেন্স, ভিশন কেয়ার, মটকা কিচেন, চাটাই এদের প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা এবং অপর ২টি প্রতিষ্ঠানকে ২ হাজার টাকা করে জরিমানা গুনতে হয়েছে। এ সময় ৩টি ব্যাংককের প্রত্যেককে ২ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন ভ্রম্যমান আদালত। এসব ভবন ও প্রতিষ্ঠানের সাইনবোর্ড অপসারণের পর বাংলা ভাষায় লিখে তা প্রতিস্থাপন করতে ৭ দিন সময় বেধে দেয় আদালত।

ফুটপাত দখল করে ফুলের দোকান বসানের অভিযোগে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমান আদালত। এখানের ৩টি প্রতিষ্ঠানকে ৯ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

সাইনবোর্ড বাংলা ভাষায় না লেখায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাজওয়ার আকরাম সাকাপি ইবনে সাজ্জাদ রামপুরা এলাকায় ৬টি প্রতিষ্ঠানকে ৪৮ হাজার টাকা জরিমানার পাশাপাশি অপর ৫টি প্রতিষ্ঠানের সাইনবোর্ড অপসারণ করা হয়।

প্রসঙ্গত, মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগের ১৬৯৬/২০১৪ নং রিট পিটিশনে প্রদত্ত আদেশ অনুযায়ী সকল প্রতিষ্ঠানের (দূতাবাস, বিদেশী সংস্থা ও তৎসংশ্লিষ্ট ক্ষেত্র ব্যতীত) নামফলক, সাইনবোর্ড, বিলবোর্ড, ব্যানার ইত্যাদি বাংলায় লেখা বাধ্যতামূলক। এর প্রেক্ষিতে স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে হাইকোর্টের আদেশটি উত্তর সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বাস্তবায়নে ডিএনসিসিকে দায়িত্ব প্রদান করা হয়। এছাড়া ডিএনসিসি থেকে ট্রেড লাইসেন্স দেওয়ার সময় ট্রেড লাইসেন্স বইয়ের মধ্যে “সাইনবোর্ড বাংলায় লেখা বাধ্যতামূলক” শর্ত দেওয়া হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published.

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বাংলাদেশের সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সাইনবোর্ড ‘বাংলা’ নিশ্চিতে ডিএনসিসির ভ্রাম্যমাণ আদালত

আপডেট সময় : ০২:২৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২১

সাইনবোর্ডে বাংলা লেখা নিশ্চিতে ডিএনসিসির ভ্রাম্যমাণ আদালত। ছবি: সংগৃহীত

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

ফেব্রুয়ারি মাস আসলেই সকল সাইনবোর্ড বাংলায় লেখা নিয়ে আলোচনাটা বেশ জমে ওঠে। এবারে কোন আলোচনা নয়। অনেক বলা হয়েছে। তাই বুলড্রোজার নিয়ে সরাসরি ইংরেজি সাইনবোর্ড উচ্ছেদে মাঠে নামে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ( ডিএনসিসি)। বাংলাদেশের সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সাইনবোর্ড ‘বাংলা’ নিশ্চিত করতেই ডিএনসিসির এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা।

এরই মধ্যে ডিএনসিসি সাইনবোর্ড ও নামফলকে বাংলা লেখা নিশ্চিত করতে ৫ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রমমাণ আদালত পরিচালনা শুরু করে দিয়েছে। অভিযানের অংশ হিসেবে অভিজাত বনানী-গুলশান এলাকার বেশ কিছু ইংরেজি লেখা সাইনবোর্ড অপসারণ করা হয়েছে। ১৮ ফেব্রুয়ারির ওই অভিযান চলে কামাল আতাতুর্ক এভিনিউ ও রামপুরা এলাকায়।

কামাল আতাতুর্ক এভিনিউতে অভিযানকালে অঞ্চল-৩ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল্লাহ আল বাকীর নেতৃত্বে পরিচালিত মোবাইল কোর্ট কর্তৃক সাইনবোর্ড বাংলা ভাষায় না লেখায় ১০টি ভবন ও প্রতিষ্ঠানকে মোট ৫৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছেন। আহমেদ টাওয়ার, এ আর টাওয়ার, সফুরা টাওয়ার, ইরেকার্ট হাউজ, বোরাক টাওয়ার, এসুরেন্স, ভিশন কেয়ার, মটকা কিচেন, চাটাই এদের প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা এবং অপর ২টি প্রতিষ্ঠানকে ২ হাজার টাকা করে জরিমানা গুনতে হয়েছে। এ সময় ৩টি ব্যাংককের প্রত্যেককে ২ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন ভ্রম্যমান আদালত। এসব ভবন ও প্রতিষ্ঠানের সাইনবোর্ড অপসারণের পর বাংলা ভাষায় লিখে তা প্রতিস্থাপন করতে ৭ দিন সময় বেধে দেয় আদালত।

ফুটপাত দখল করে ফুলের দোকান বসানের অভিযোগে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমান আদালত। এখানের ৩টি প্রতিষ্ঠানকে ৯ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

সাইনবোর্ড বাংলা ভাষায় না লেখায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাজওয়ার আকরাম সাকাপি ইবনে সাজ্জাদ রামপুরা এলাকায় ৬টি প্রতিষ্ঠানকে ৪৮ হাজার টাকা জরিমানার পাশাপাশি অপর ৫টি প্রতিষ্ঠানের সাইনবোর্ড অপসারণ করা হয়।

প্রসঙ্গত, মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগের ১৬৯৬/২০১৪ নং রিট পিটিশনে প্রদত্ত আদেশ অনুযায়ী সকল প্রতিষ্ঠানের (দূতাবাস, বিদেশী সংস্থা ও তৎসংশ্লিষ্ট ক্ষেত্র ব্যতীত) নামফলক, সাইনবোর্ড, বিলবোর্ড, ব্যানার ইত্যাদি বাংলায় লেখা বাধ্যতামূলক। এর প্রেক্ষিতে স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে হাইকোর্টের আদেশটি উত্তর সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বাস্তবায়নে ডিএনসিসিকে দায়িত্ব প্রদান করা হয়। এছাড়া ডিএনসিসি থেকে ট্রেড লাইসেন্স দেওয়ার সময় ট্রেড লাইসেন্স বইয়ের মধ্যে “সাইনবোর্ড বাংলায় লেখা বাধ্যতামূলক” শর্ত দেওয়া হয়।