ঢাকা ০৯:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

বই মেলা ঘিরে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৪৯:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ মার্চ ২০২১ ১৮১ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস্) কৃষ্ণ পদ রায় বলেছেন, আমরা একটি ভিন্ন সময়ে বইমেলা শুরু করছি। করোনার পরিস্থিতি মাথায় রেখেই প্রতি বছর আমাদের যে নিñিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। এবারেও একই ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি প্রবেশ পথে আর্চওয়ে থাকবে। নির্দিষ্ট প্রবেশ পথ তা থাকে। নির্দিষ্ট বাহির হবার পথেও থাকে। যারা বইমেলায় আসেন তারা প্রবেশ পথে আমাদের সহযোগিতা করে থাকেন। সবার স্বার্থেই এই নিরাপত্তার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, এবারের বইমেলায় প্রকাশকদের ওপর হামলা হুমকি নেই। তবে বিষয়টা আমাদের মাথায় রয়েছে। সেই বিষয়টি মাথায় রেখেই আমাদের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা কাজ করছে। মানুষের অনুভূতিতে আঘাত দেয় এমন বই প্রকাশ হচ্ছে কিনা আমরা খোঁজ রাখছি।

মঙ্গলবার সকালে বইমেলায় অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্পে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন পুলিশের এই উর্ধতন কর্মকর্তা। তার মতে, অতীতের ঘটনা মাথায় রেখেই আমরা গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। কেউ অপরাধমূলক কাজ করছে কিনা সে ব্যাপারেও নজরদারি রাখছেন তারা। যথাসময়ে তথ্য পেলে আমরা যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

তিনি উল্লেখ করেন, এবারে বইমেলায় প্রধানত তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। সাদা পোশাকে একটি ব্যবস্থাপনা থাকবে, সিসিটিভি, আর্চওয়ে থাকবে, গোয়েন্দা সংস্থা ও ডিবির টিম থাকবে। প্রতি প্রবেশ পথে আর্চওয়ে থাকে, নির্দিষ্ট প্রবেশ পথ থাকে, নির্দিষ্ট বাহির পথ থাকে।

কৃষ্ণ পদ রায় বলেন, নির্দিষ্ট সংখ্যাক প্রবেশ গেট আমরা চিহ্নিত করেছি। এবার একটি অতিরিক্ত প্রবেশ পথ যুক্ত করেছি যেটি ইঞ্জিনিয়ার ইনিস্টিউট অথবা শিখা চিরন্তন গেট দিয়ে প্রবেশ করা যাবে। আপনারা জানেন, রাস্তা-ঘাটে উন্নয়নমূলক কাজ চলছে এজন্য অতিরিক্ত গেট রাখা হয়েছে। এবারে কিছু কিছু নিরাপত্তা স্ট্র্যাকচার পরিবর্তন করা হয়েছে। আমাদের মোবাইল পেট্রোল থাকবে, ফুট পেট্রোল থাকবে। যারা বই মেলায় আসবেন শুধুমাত্র তারাই ইঞ্জিনিয়ার ইনিস্টিউটের গেট দিয়ে প্রবেশ করবেন।

আমরা বাংলা একডেমির সঙ্গে কথা বলেছি। মেলা সুষ্ঠুভাবে উদযাপনের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের একটি ব্যাপক ভূমিকা রয়েছে।

মহামারী করোনার মধ্যে এবারের বইমেলা হচ্ছে।স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়ে ডিএমপির কোনো নির্দেশনা আছে কিনা? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যারা আসবেন তারা অবশ্যই মাস্ক পরে আসবেন। প্রতি গেটে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা থাকবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনেই সবাইকে মেলার আসার আহ্বান জানান তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published.

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বই মেলা ঘিরে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা

আপডেট সময় : ১০:৪৯:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ মার্চ ২০২১

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস্) কৃষ্ণ পদ রায় বলেছেন, আমরা একটি ভিন্ন সময়ে বইমেলা শুরু করছি। করোনার পরিস্থিতি মাথায় রেখেই প্রতি বছর আমাদের যে নিñিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। এবারেও একই ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি প্রবেশ পথে আর্চওয়ে থাকবে। নির্দিষ্ট প্রবেশ পথ তা থাকে। নির্দিষ্ট বাহির হবার পথেও থাকে। যারা বইমেলায় আসেন তারা প্রবেশ পথে আমাদের সহযোগিতা করে থাকেন। সবার স্বার্থেই এই নিরাপত্তার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, এবারের বইমেলায় প্রকাশকদের ওপর হামলা হুমকি নেই। তবে বিষয়টা আমাদের মাথায় রয়েছে। সেই বিষয়টি মাথায় রেখেই আমাদের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা কাজ করছে। মানুষের অনুভূতিতে আঘাত দেয় এমন বই প্রকাশ হচ্ছে কিনা আমরা খোঁজ রাখছি।

মঙ্গলবার সকালে বইমেলায় অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্পে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন পুলিশের এই উর্ধতন কর্মকর্তা। তার মতে, অতীতের ঘটনা মাথায় রেখেই আমরা গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। কেউ অপরাধমূলক কাজ করছে কিনা সে ব্যাপারেও নজরদারি রাখছেন তারা। যথাসময়ে তথ্য পেলে আমরা যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

তিনি উল্লেখ করেন, এবারে বইমেলায় প্রধানত তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। সাদা পোশাকে একটি ব্যবস্থাপনা থাকবে, সিসিটিভি, আর্চওয়ে থাকবে, গোয়েন্দা সংস্থা ও ডিবির টিম থাকবে। প্রতি প্রবেশ পথে আর্চওয়ে থাকে, নির্দিষ্ট প্রবেশ পথ থাকে, নির্দিষ্ট বাহির পথ থাকে।

কৃষ্ণ পদ রায় বলেন, নির্দিষ্ট সংখ্যাক প্রবেশ গেট আমরা চিহ্নিত করেছি। এবার একটি অতিরিক্ত প্রবেশ পথ যুক্ত করেছি যেটি ইঞ্জিনিয়ার ইনিস্টিউট অথবা শিখা চিরন্তন গেট দিয়ে প্রবেশ করা যাবে। আপনারা জানেন, রাস্তা-ঘাটে উন্নয়নমূলক কাজ চলছে এজন্য অতিরিক্ত গেট রাখা হয়েছে। এবারে কিছু কিছু নিরাপত্তা স্ট্র্যাকচার পরিবর্তন করা হয়েছে। আমাদের মোবাইল পেট্রোল থাকবে, ফুট পেট্রোল থাকবে। যারা বই মেলায় আসবেন শুধুমাত্র তারাই ইঞ্জিনিয়ার ইনিস্টিউটের গেট দিয়ে প্রবেশ করবেন।

আমরা বাংলা একডেমির সঙ্গে কথা বলেছি। মেলা সুষ্ঠুভাবে উদযাপনের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের একটি ব্যাপক ভূমিকা রয়েছে।

মহামারী করোনার মধ্যে এবারের বইমেলা হচ্ছে।স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়ে ডিএমপির কোনো নির্দেশনা আছে কিনা? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যারা আসবেন তারা অবশ্যই মাস্ক পরে আসবেন। প্রতি গেটে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা থাকবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনেই সবাইকে মেলার আসার আহ্বান জানান তিনি।