ঢাকা ০৩:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ভারতে আটক ১৯ জেলের আবেগঘন প্রত্যাবর্তন: পরিবারে ফিরলেন ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বজায় রেখে আরও টেকসই উদ্যোগ নিতে হবে: মৎস্য উপদেষ্টা ফরিদা আখতার আসিফ ও মাহফুজের পদত্যাগ গ্রহণ করলেন প্রধান উপদেষ্টা আগামী নির্বাচনকে ঐতিহাসিক ও স্মরণীয় করার আহ্বান ড. ইউনূসের জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল বৃহস্পতিবার অন্তর্বর্তী সরকারের  উপদেষ্টা মাহফুজ আলম ও  আসিফ মাহমুদ পদত্যাগ ঢাকায় মা-মেয়ে হত্যাকাণ্ড: নলসিটি থেকে গ্রেপ্তার গৃহকর্মী আয়েশা, চলছে টানা অভিযান ইসমত শিল্পীর কবিতা ‘ছায়ার শব্দ’ এনইআইআর বাস্তবায়ন না হওয়ায় বিপুল পরিমাণ রাজস্ব বঞ্চিত সরকার বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ১০ ডিসেম্বর শুরু হচ্ছে ‘বিজয় বইমেলা ২০২৫’

ফুঁসছে উত্তরের নদ-নদী, ১১ জেলায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

ভয়েস রিপোর্ট, ঢাকা
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৪:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২১ ২৪৭ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

উত্তরের সকল কটি নদীর জল বেড়েই চলেছে। রেকর্ড ভেঙ্গে বিপদসীমার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, পদ্মার জল। ব্রহ্মপুত্র-যমুনা ও গঙ্গা-পদ্মা নদ-নদীর জল সমতল বৃদ্ধি অব্যাহত থাকার পূর্বঅভাস দিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

জলার বাড়ার সঙ্গে ১১টি জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে গিয়েছে। গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, মানিকগঞ্জ, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, জামালপুর, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, পাবনা, রাজবাড়ী, শরীয়তপুর এবং ফরিদপুর ১১টি জেলার নিম্নাঞ্চল জলের তলায়। জল বৃদ্ধি পাওয়ায় পরিস্থিতি আরও অবনতি হতে পারে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আরিফুজ্জামান ভূঁইয়া জানান, আটটি নদ-নদীর ১৯টি পয়েন্টের জল বিপৎসীমা অতিক্রম করে গিয়েছে।

কুড়িগ্রাম থেকে সাংবাদিক শ্যামল ভৌমিক জানান, কুড়িগ্রামের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির অবণতি ঘটছে। জল বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। ফসলের ক্ষতি হয়েছে। জলে ভাসছে বাড়িঘর। দেখা দিয়েছে জলবাহী নানা রোগবালাই।

ধরলার জল কুড়িগ্রামে বিপৎসীমার ৭ সেন্টিমিটার, চিলমারী পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্রের জল ৪৯ সেন্টিমিটার এবং হাতিয়ায় ১০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গাইবান্ধায় ঘাঘট নদীর জল বিপৎসীমার ১৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

গাইবান্ধার ফুলছড়ি পয়েন্টে যমুনার জল বিপৎসীমার ৪৮ সেন্টিমিটার, সাঘাটায় ২৯ সেন্টিমিটার, জামালপুরের বাহাদুরাবাদে ৫৯ সেন্টিমিটার, বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে ৬৩ সেন্টিমিটার, কাজিপুরে ৫২ সেন্টিমিটার, সিরাজগঞ্জে ৫৮ সেন্টিমিটার, টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়িতে ২১

সেন্টিমিটার, পাবনার মথুরায় ২৩ সেন্টিমিটার এবং মানিকগঞ্জের আরিচা পয়েন্টে বিপদসীমার ২৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

আত্রাইয়ের জল সিরাজগঞ্জের বাঘাবাড়িতে বিপৎসীমার ৫৫ সেন্টিমিটার, টাঙ্গাইলের এলাসিন পয়েন্টে ধলেশ্বরীর জল ৬৪ সেন্টিমিটার এবং রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে পদ্মার জল বিপৎসীমার ৬২

সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ভাগ্যকূলে পদ্মার জল ১ সেন্টিমিটার ও সুরেশ্বরে ১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

ঢাকার পাশের তুরাগ নদের জলও বিপৎসীমা ছাড়িয়েছে। কালিয়াকৈরে বইছে বিপৎসীমার ৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে। বিভিন্ন নদ-নদীতে পূর্বাভাস কেন্দ্রের ১০৯টি পর্যবেক্ষণ স্টেশনের বুধবার

৬৮টিতে জলের সমতল বেড়েছে। কমেছে ৪০টি স্টেশনের জলের সমতল। অপরিবর্তিত রয়েছে একটি স্টেশনের আর ১৯টি স্টেশনের জলের সমতল বিপৎসীমার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ফুঁসছে উত্তরের নদ-নদী, ১১ জেলায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

আপডেট সময় : ০৮:৫৪:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২১

উত্তরের সকল কটি নদীর জল বেড়েই চলেছে। রেকর্ড ভেঙ্গে বিপদসীমার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, পদ্মার জল। ব্রহ্মপুত্র-যমুনা ও গঙ্গা-পদ্মা নদ-নদীর জল সমতল বৃদ্ধি অব্যাহত থাকার পূর্বঅভাস দিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

জলার বাড়ার সঙ্গে ১১টি জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে গিয়েছে। গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, মানিকগঞ্জ, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, জামালপুর, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, পাবনা, রাজবাড়ী, শরীয়তপুর এবং ফরিদপুর ১১টি জেলার নিম্নাঞ্চল জলের তলায়। জল বৃদ্ধি পাওয়ায় পরিস্থিতি আরও অবনতি হতে পারে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আরিফুজ্জামান ভূঁইয়া জানান, আটটি নদ-নদীর ১৯টি পয়েন্টের জল বিপৎসীমা অতিক্রম করে গিয়েছে।

কুড়িগ্রাম থেকে সাংবাদিক শ্যামল ভৌমিক জানান, কুড়িগ্রামের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির অবণতি ঘটছে। জল বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। ফসলের ক্ষতি হয়েছে। জলে ভাসছে বাড়িঘর। দেখা দিয়েছে জলবাহী নানা রোগবালাই।

ধরলার জল কুড়িগ্রামে বিপৎসীমার ৭ সেন্টিমিটার, চিলমারী পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্রের জল ৪৯ সেন্টিমিটার এবং হাতিয়ায় ১০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গাইবান্ধায় ঘাঘট নদীর জল বিপৎসীমার ১৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

গাইবান্ধার ফুলছড়ি পয়েন্টে যমুনার জল বিপৎসীমার ৪৮ সেন্টিমিটার, সাঘাটায় ২৯ সেন্টিমিটার, জামালপুরের বাহাদুরাবাদে ৫৯ সেন্টিমিটার, বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে ৬৩ সেন্টিমিটার, কাজিপুরে ৫২ সেন্টিমিটার, সিরাজগঞ্জে ৫৮ সেন্টিমিটার, টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়িতে ২১

সেন্টিমিটার, পাবনার মথুরায় ২৩ সেন্টিমিটার এবং মানিকগঞ্জের আরিচা পয়েন্টে বিপদসীমার ২৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

আত্রাইয়ের জল সিরাজগঞ্জের বাঘাবাড়িতে বিপৎসীমার ৫৫ সেন্টিমিটার, টাঙ্গাইলের এলাসিন পয়েন্টে ধলেশ্বরীর জল ৬৪ সেন্টিমিটার এবং রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে পদ্মার জল বিপৎসীমার ৬২

সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ভাগ্যকূলে পদ্মার জল ১ সেন্টিমিটার ও সুরেশ্বরে ১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

ঢাকার পাশের তুরাগ নদের জলও বিপৎসীমা ছাড়িয়েছে। কালিয়াকৈরে বইছে বিপৎসীমার ৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে। বিভিন্ন নদ-নদীতে পূর্বাভাস কেন্দ্রের ১০৯টি পর্যবেক্ষণ স্টেশনের বুধবার

৬৮টিতে জলের সমতল বেড়েছে। কমেছে ৪০টি স্টেশনের জলের সমতল। অপরিবর্তিত রয়েছে একটি স্টেশনের আর ১৯টি স্টেশনের জলের সমতল বিপৎসীমার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে।