ঢাকা ০৭:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিক্রয় উন্মোচন করলো প্রপার্টি বেচাকেনার তথ্যভিত্তিক ওয়েবসাইট ‘প্রপার্টি গাইড বাংলাদেশ শীর্ষস্থান হারালেন সাকিব, র‌্যাংকিংয়ে হৃদয়-তানজিদ-মুস্তাফিজের উন্নতি ত্বক ও চুলের যত্নে নিম পাতার ব্যবহার এপেক্সে নারী-পুরুষ নিয়োগ, কর্মস্থল ঢাকা আড়ংয়ে নারী-পুরুষ নিয়োগ, কর্মস্থল ঢাকা রোহিঙ্গাদের জন্য বিশ্বব্যাংক ৭০০ মিলিয়ন ডলার দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়ায় ‘মলমূত্র’ বহনকারী বেলুন পাঠাচ্ছে উত্তর কোরিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচন: তৃতীয় ধাপে বিজয়ী যারা প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল রেমালে ক্ষতিগ্রস্ত পটুয়াখালীর কলাপাড়া পরিদর্শন করবেন বাংলাদেশি ব্যবসায়ীর বিদেশে বিনোয়োগের ৭০% ভারতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য

পিডিএম পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে শক্ত চ্যালেঞ্জ দিতে পারে: রাজনীতি বিশেষজ্ঞ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৮:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২০ ৪০১ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

পাকিস্তানের সেনাবাহিনী দেশটির সরকারকে অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করে। তবে বিরোধীদল-পাকিস্তান গণতান্ত্রিক আন্দোলনের (পিডিএম) ক্ষমতার এলে তারা অনেকখানি নিয়ন্ত্রণ হারাতে পারে বলে বিশ্বাস একজন ভূ-রাজনীতি বিশেষজ্ঞের। ইতমধ্যে বিরোধী জোট প্রতিনিয়ত প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের পদত্যাগের দাবি জানিয়ে আসছে।

এক প্রবন্ধে ওকলাহোমা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক ও অঞ্চল গবেষণা অধ্যয়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আকিল শাহ লিখেছেন, জেনারেলদের কাছ থেকে সমর্থনের কারণে খান এবং তার পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ দলের (পিটিআই) ঝুঁকির সম্ভাবনা কম বলে মনে হয়। তবে বিক্ষোভের আরো একটি বড় লক্ষ্য সামরিক বাহিনী নিজেই।
অনেক পাকিস্তানি নাগরিকই সেনাবাহিনীকে খানের পিছনে আসল শক্তি এবং দেশটির রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের কারণ হিসাবে দেখছে।
তাদের ক্ষোভর একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়েছে যখন প্রধান রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা প্রথমবারের মতো পাকিস্তানের সামরিক আধিপত্যের বিরুদ্ধে বক্তব্য রেখেছিল। এই পরিবর্তন অবশেষে রাজনৈতিক শক্তিতে সেনাবাহিনীর দখলকে হুমকি দিতে পারে বলে তিনি লিখেছিলেন।

সরকারকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে পিডিএম দেশজুড়ে সমাবেশ করেছে। মিডিয়ার উপর সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণের বর্ণনা দিয়ে তিনি লিখেছেন, মিডিয়াতে সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ তাদের কেলেঙ্কারির ইতিহাসকে ধুয়ে ফেলেছে। সামরিক গোয়েন্দা সংস্থাগুলি এবং সামরিক মিডিয়া বাহিনী, আন্তঃবাহিনী জনসংযোগের কর্মকর্তরা নিয়মিত সিদ্ধান্ত দেয় যে, কোন সংবাদ শীর্ষস্থানীয় বিলিং গ্রহণ করবে, কোন বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হতে পারে, টক শোতে কাদের সাক্ষাৎকার নেওয়া যেতে পারে, সেই শোগুলিতে কী নিয়ে আলোচনা করা যেতে পারে এবং এমনকি কে তাদের হোস্ট করতে পারে তাও এ সব কর্মকর্তরা নির্ধারণ করে দেয়।

তিনি বলেন: সামরিক বাহিনী দেশের প্রধান বিরোধী দুর্নীতি সংস্থা, জাতীয় জবাবদিহিতা ব্যুরোকেও রাজনৈতিক হাতিয়ে পরিণত করেছে। এগুলোকে পিএমএল-এন এবং পিপিপি-র নেতাদের লক্ষ্যবস্তু করে ব্যবহার করা হচ্ছে। সাম্প্রতিক মাসগুলিতে, যদিও বিরধিদল সামরিক বাহিনী এবং খানকে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি করেছে। পাকিস্তানের বিরোধী দলগুলি পিডিএমের ছত্রছায়ায় সেপ্টেম্বরে অভূতপূর্ব ঐক্যফ্রন্ট গঠন করেছে বলে তিনি লিখেছেন।

তিনি বলেন যে আগামী মাসে বিরোধীদের প্রচার প্রচণ্ডভাবে বাড়ানো হতে পারে। পিডিএম সফল হবে কিনা তা স্পষ্ট নয়। তবে সন্দেহ নেই যে পিডিএম পাকিস্তানের রাজনৈতিক ইতিহাসে সামরিক বাহিনীর অব্যাহত রাখা গণতান্ত্রিক স্বাধীনতা এবং আইনের শাসনের জন্য সুস্পষ্ট হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। সূত্র: জাস্ট আর্থ নিউজ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published.

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পিডিএম পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে শক্ত চ্যালেঞ্জ দিতে পারে: রাজনীতি বিশেষজ্ঞ

আপডেট সময় : ০৩:৩৮:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২০

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

পাকিস্তানের সেনাবাহিনী দেশটির সরকারকে অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করে। তবে বিরোধীদল-পাকিস্তান গণতান্ত্রিক আন্দোলনের (পিডিএম) ক্ষমতার এলে তারা অনেকখানি নিয়ন্ত্রণ হারাতে পারে বলে বিশ্বাস একজন ভূ-রাজনীতি বিশেষজ্ঞের। ইতমধ্যে বিরোধী জোট প্রতিনিয়ত প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের পদত্যাগের দাবি জানিয়ে আসছে।

এক প্রবন্ধে ওকলাহোমা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক ও অঞ্চল গবেষণা অধ্যয়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আকিল শাহ লিখেছেন, জেনারেলদের কাছ থেকে সমর্থনের কারণে খান এবং তার পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ দলের (পিটিআই) ঝুঁকির সম্ভাবনা কম বলে মনে হয়। তবে বিক্ষোভের আরো একটি বড় লক্ষ্য সামরিক বাহিনী নিজেই।
অনেক পাকিস্তানি নাগরিকই সেনাবাহিনীকে খানের পিছনে আসল শক্তি এবং দেশটির রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের কারণ হিসাবে দেখছে।
তাদের ক্ষোভর একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়েছে যখন প্রধান রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা প্রথমবারের মতো পাকিস্তানের সামরিক আধিপত্যের বিরুদ্ধে বক্তব্য রেখেছিল। এই পরিবর্তন অবশেষে রাজনৈতিক শক্তিতে সেনাবাহিনীর দখলকে হুমকি দিতে পারে বলে তিনি লিখেছিলেন।

সরকারকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে পিডিএম দেশজুড়ে সমাবেশ করেছে। মিডিয়ার উপর সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণের বর্ণনা দিয়ে তিনি লিখেছেন, মিডিয়াতে সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ তাদের কেলেঙ্কারির ইতিহাসকে ধুয়ে ফেলেছে। সামরিক গোয়েন্দা সংস্থাগুলি এবং সামরিক মিডিয়া বাহিনী, আন্তঃবাহিনী জনসংযোগের কর্মকর্তরা নিয়মিত সিদ্ধান্ত দেয় যে, কোন সংবাদ শীর্ষস্থানীয় বিলিং গ্রহণ করবে, কোন বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হতে পারে, টক শোতে কাদের সাক্ষাৎকার নেওয়া যেতে পারে, সেই শোগুলিতে কী নিয়ে আলোচনা করা যেতে পারে এবং এমনকি কে তাদের হোস্ট করতে পারে তাও এ সব কর্মকর্তরা নির্ধারণ করে দেয়।

তিনি বলেন: সামরিক বাহিনী দেশের প্রধান বিরোধী দুর্নীতি সংস্থা, জাতীয় জবাবদিহিতা ব্যুরোকেও রাজনৈতিক হাতিয়ে পরিণত করেছে। এগুলোকে পিএমএল-এন এবং পিপিপি-র নেতাদের লক্ষ্যবস্তু করে ব্যবহার করা হচ্ছে। সাম্প্রতিক মাসগুলিতে, যদিও বিরধিদল সামরিক বাহিনী এবং খানকে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি করেছে। পাকিস্তানের বিরোধী দলগুলি পিডিএমের ছত্রছায়ায় সেপ্টেম্বরে অভূতপূর্ব ঐক্যফ্রন্ট গঠন করেছে বলে তিনি লিখেছেন।

তিনি বলেন যে আগামী মাসে বিরোধীদের প্রচার প্রচণ্ডভাবে বাড়ানো হতে পারে। পিডিএম সফল হবে কিনা তা স্পষ্ট নয়। তবে সন্দেহ নেই যে পিডিএম পাকিস্তানের রাজনৈতিক ইতিহাসে সামরিক বাহিনীর অব্যাহত রাখা গণতান্ত্রিক স্বাধীনতা এবং আইনের শাসনের জন্য সুস্পষ্ট হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। সূত্র: জাস্ট আর্থ নিউজ।