ঢাকা ০৮:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
তফসিলের পর অনুমোদনহীন সমাবেশ-আন্দোলন পরিহারের আহ্বান অন্তর্বর্তী সরকারের অনানুষ্ঠানিক শ্রমিকদের সংখ্যা বেশি, কিন্তু স্বীকৃতি কম: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ১০ ডিসেম্বর রেকর্ড হবে সিইসির ভাষণ, নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার সম্ভাবনা জোরালো ব্যাংকিং খাতে স্থিতিশীলতা ফেরাতে বিস্তৃত সংস্কার : কেন্দ্রীয় ব্যাংক গভর্নর সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য ঠেকাতে সীমিত আকারে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ডিএফপিতে রক্তদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত অন্তর্ভূক্তিমূলক সুরক্ষার অভাবে বাড়ছে শিশুদের অনলাইন যৌন শোষণ এই সপ্তাহেই নির্বাচনি তফসিল, ভোটের সময় বাড়ছে এক ঘণ্টা শিশুশ্রম নিষিদ্ধে আইন নীতিমালা সংশোধনের দাবি সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তায় নির্বাচনের আগে-পরে এক মাস সেনা মোতায়েনের দাবি

পাকিস্তানে শিয়াবিরোধী জঙ্গি তোষণের শিকার হাজারা সম্প্রদায়

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:২২:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২১ ৩৪৪ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

বেলুচিস্তানের কয়লা খনিতে নৃশংস হামলা চালিয়ে ১১ জন শ্রমিককে গত ডিসেম্বরে হত্যা করা হয়েছে। এরা সবাই ছিল হাজারা সম্প্রদায়ভুক্ত। পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ শিয়াবিরোধী জঙ্গিবাদকে তোষণ করতে থাকায় হাজারা জনগোষ্ঠী প্রায়শ এরকম হামলার শিকার হচ্ছে।

 

বার্তা সংস্থা এএনআই জানায়, ‘দ্য ডিপ্লোম্যাট’ পত্রিকায় বলা হয়েছে, ১৮৩৯ সালে প্রথম ইঙ্গ-আফগান যুদ্ধের সময় হাজারাদের সৈনিক দলে ভর্তি করা হয়। সেই থেকে তারা ও তাদের উত্তরসূরিরা বেলুচিস্তান অঞ্চলে বংশপরম্পরায় বাস করছে। তারা শিয়া মতাবলম্বী মুসলমান। এজন্য উগ্রবাদী সুন্নিরা তাদের ওপর নিপীড়ন চালায়।

 

যুক্তরাষ্ট্রে ৯/১ আক্রমণ ঘটনার পর থেকে বেলুচিস্তানের হাজারা জনগোষ্ঠীর ওপর নিয়মিত জুলুম করতে থাকে তালেবান। লস্কর-ই-জংভি ও সিপাহ-ই-শাহাবা পাকিস্তান নামক শিয়াবিরোধী জঙ্গিরাও হাজারাদের ওপর অত্যাচার চালায়।

বিশ্ব সম্প্রদায়ের চাপে পড়ে জেনারেল পারভেজ মোশাররফের সামরিক সরকার জিহাদি সংগঠনগুলোকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করলে লস্কর-ই-জংভি ও সিপাহ-ই-শাহাবা রাজনৈতিক ফ্রন্ট হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। হাজারা জনগোষ্ঠী ভয়ংকর সংকটগ্রস্ত হয় ২০১৩ সালে। সে বছর কোয়েটায় অবিরাম বোমা বর্ষণে ১৬৫ হাজারার প্রাণ যায়। সন্ত্রাসী হামলায় ২০০৪ সাল পর্যন্ত ২০০০ হাজারা নিহত হন। জুলুমের প্রতিকার দাবিতে হাজারা সম্প্রদায় ২০১৮ সালে আমরণ অনশন শুরু করলে পাকিস্তান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল কমর জাভেদ বাজওয়া তাদের গিয়ে সুরক্ষার আশ্বাস দেন। কিন্তু ২০২০-এর ডিসেম্বরে ফের হামলা। পর্যবেক্ষকরা বলছেন, জিহাদপন্থি জঙ্গিবাদের কাঠামো অটুট রেখে কীভাবে হাজারাদের নিরাপত্তা বিধান করবে, তা পাকিস্তান খোলাসা করছে না। নিরাপত্তা দিতেও পারছে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পাকিস্তানে শিয়াবিরোধী জঙ্গি তোষণের শিকার হাজারা সম্প্রদায়

আপডেট সময় : ০৪:২২:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২১

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

বেলুচিস্তানের কয়লা খনিতে নৃশংস হামলা চালিয়ে ১১ জন শ্রমিককে গত ডিসেম্বরে হত্যা করা হয়েছে। এরা সবাই ছিল হাজারা সম্প্রদায়ভুক্ত। পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ শিয়াবিরোধী জঙ্গিবাদকে তোষণ করতে থাকায় হাজারা জনগোষ্ঠী প্রায়শ এরকম হামলার শিকার হচ্ছে।

 

বার্তা সংস্থা এএনআই জানায়, ‘দ্য ডিপ্লোম্যাট’ পত্রিকায় বলা হয়েছে, ১৮৩৯ সালে প্রথম ইঙ্গ-আফগান যুদ্ধের সময় হাজারাদের সৈনিক দলে ভর্তি করা হয়। সেই থেকে তারা ও তাদের উত্তরসূরিরা বেলুচিস্তান অঞ্চলে বংশপরম্পরায় বাস করছে। তারা শিয়া মতাবলম্বী মুসলমান। এজন্য উগ্রবাদী সুন্নিরা তাদের ওপর নিপীড়ন চালায়।

 

যুক্তরাষ্ট্রে ৯/১ আক্রমণ ঘটনার পর থেকে বেলুচিস্তানের হাজারা জনগোষ্ঠীর ওপর নিয়মিত জুলুম করতে থাকে তালেবান। লস্কর-ই-জংভি ও সিপাহ-ই-শাহাবা পাকিস্তান নামক শিয়াবিরোধী জঙ্গিরাও হাজারাদের ওপর অত্যাচার চালায়।

বিশ্ব সম্প্রদায়ের চাপে পড়ে জেনারেল পারভেজ মোশাররফের সামরিক সরকার জিহাদি সংগঠনগুলোকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করলে লস্কর-ই-জংভি ও সিপাহ-ই-শাহাবা রাজনৈতিক ফ্রন্ট হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। হাজারা জনগোষ্ঠী ভয়ংকর সংকটগ্রস্ত হয় ২০১৩ সালে। সে বছর কোয়েটায় অবিরাম বোমা বর্ষণে ১৬৫ হাজারার প্রাণ যায়। সন্ত্রাসী হামলায় ২০০৪ সাল পর্যন্ত ২০০০ হাজারা নিহত হন। জুলুমের প্রতিকার দাবিতে হাজারা সম্প্রদায় ২০১৮ সালে আমরণ অনশন শুরু করলে পাকিস্তান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল কমর জাভেদ বাজওয়া তাদের গিয়ে সুরক্ষার আশ্বাস দেন। কিন্তু ২০২০-এর ডিসেম্বরে ফের হামলা। পর্যবেক্ষকরা বলছেন, জিহাদপন্থি জঙ্গিবাদের কাঠামো অটুট রেখে কীভাবে হাজারাদের নিরাপত্তা বিধান করবে, তা পাকিস্তান খোলাসা করছে না। নিরাপত্তা দিতেও পারছে না।