ঢাকা ০৮:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

পাকিস্তানে ডিমের দাম ৩০ রুপি, আদার কেজি হাজার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৭:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২০ ৪০১ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
ভযেস ডিজিটাল ডেস্ক 
পাকিস্তানে মুদ্রাস্ফীতির কারণে সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে জিনিসপত্রের দাম। দৈনন্দিন নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনতেও হিমশিম খাচ্ছেন অনেকে। করোনা সঙ্কটের মধ্যেই নতুন করে নাজেহাল হয়ে পড়েছে দেশটির অর্থনৈতিক অবস্থা। দেশটিতে একটি ডিম বিক্রি হচ্ছে ৩০ রুপিতে। অর্থাৎ এক ডজন ডিমের জন্য খরচ করতে হচ্ছে ৩৫০ রুপি।

শীত মৌসুমের কারণে পাকিস্তানে ডিমের চাহিদা বেড়েছে।  অপরদিকে এক কেজি চিনির দাম ১০৪ রুপি। এক কেজি গম ৬০ রুপি এবং এক কেজি আদার দাম ১ হাজার রুপি। জিনিসপত্রের দাম এভাবে বাড়তে থাকায় দেশটির প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বিপদে পড়েছেন। দেশের অর্থনীতির হাল ফেরানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন ইমরান। কিন্তু এখন এই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পারছেন না তিনি।

কয়েকদিন আগে ইমরান চিনির দাম কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু বর্তমানে পাকিস্তানের মুদ্রাস্ফীতি অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে ফেলেছে। এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শীতের কারণে দেশের বিভিন্ন স্থানে ডিমের দাম অনেক বেড়ে গেছে। এখন সেখানে প্রতি ডজন ডিম ৩৫০ পাকিস্তানি রুপিতে বিক্রি হচ্ছে। পাকিস্তানে বর্তমানে ২৫ শতাংশের বেশি মানুষ দারিদ্র সীমার নিচে বাস করেন। এ সব মানুষের প্রায় সবারই খাদ্য তালিকায় ডিম থাকে, এখন সেটাও নাগালের বাইরে।

গত বছরের ডিসেম্বর থেকে পাকিস্তানে আর্থিক মন্দা শুরু হয়েছে। সে সময় ৪০ কেজি গম কিনতে দুই হাজার রুপি খরচ করতে হয়েছে। চলতি বছরের অক্টোবরে এই রেকর্ড ভেঙেছে। বর্তমানে প্রতি কেজি গম বিক্রি হচ্ছে ৬০ রুপিতে অর্থাৎ ৪০ কেজি গমের দাম ২৪শ রুপি।

সূত্র: ডন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published.

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পাকিস্তানে ডিমের দাম ৩০ রুপি, আদার কেজি হাজার

আপডেট সময় : ০৪:৩৭:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২০
ভযেস ডিজিটাল ডেস্ক 
পাকিস্তানে মুদ্রাস্ফীতির কারণে সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে জিনিসপত্রের দাম। দৈনন্দিন নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনতেও হিমশিম খাচ্ছেন অনেকে। করোনা সঙ্কটের মধ্যেই নতুন করে নাজেহাল হয়ে পড়েছে দেশটির অর্থনৈতিক অবস্থা। দেশটিতে একটি ডিম বিক্রি হচ্ছে ৩০ রুপিতে। অর্থাৎ এক ডজন ডিমের জন্য খরচ করতে হচ্ছে ৩৫০ রুপি।

শীত মৌসুমের কারণে পাকিস্তানে ডিমের চাহিদা বেড়েছে।  অপরদিকে এক কেজি চিনির দাম ১০৪ রুপি। এক কেজি গম ৬০ রুপি এবং এক কেজি আদার দাম ১ হাজার রুপি। জিনিসপত্রের দাম এভাবে বাড়তে থাকায় দেশটির প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বিপদে পড়েছেন। দেশের অর্থনীতির হাল ফেরানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন ইমরান। কিন্তু এখন এই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পারছেন না তিনি।

কয়েকদিন আগে ইমরান চিনির দাম কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু বর্তমানে পাকিস্তানের মুদ্রাস্ফীতি অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে ফেলেছে। এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শীতের কারণে দেশের বিভিন্ন স্থানে ডিমের দাম অনেক বেড়ে গেছে। এখন সেখানে প্রতি ডজন ডিম ৩৫০ পাকিস্তানি রুপিতে বিক্রি হচ্ছে। পাকিস্তানে বর্তমানে ২৫ শতাংশের বেশি মানুষ দারিদ্র সীমার নিচে বাস করেন। এ সব মানুষের প্রায় সবারই খাদ্য তালিকায় ডিম থাকে, এখন সেটাও নাগালের বাইরে।

গত বছরের ডিসেম্বর থেকে পাকিস্তানে আর্থিক মন্দা শুরু হয়েছে। সে সময় ৪০ কেজি গম কিনতে দুই হাজার রুপি খরচ করতে হয়েছে। চলতি বছরের অক্টোবরে এই রেকর্ড ভেঙেছে। বর্তমানে প্রতি কেজি গম বিক্রি হচ্ছে ৬০ রুপিতে অর্থাৎ ৪০ কেজি গমের দাম ২৪শ রুপি।

সূত্র: ডন।