ঢাকা ১০:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে উসকানি,  রাষ্ট্রদূতকে তলব কড়া  বার্তা ঢাকার ৫১ হাজার সিমসহ ৫ চীনা নাগরিক গ্রেপ্তার, অনলাইন প্রতারণা চক্রের  হদিস ভারতের সঙ্গে যুদ্ধের পর পাকিস্তানের অস্ত্র রফতানিতে জোয়ার রাষ্ট্র পরিচালনায় সুশাসন ও জবাবদিহি নিশ্চিতের আহ্বান দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের ইরানে বিক্ষোভে প্রায় ২ হাজার নিহতের দাবি, প্রথমবারের মতো বড় সংখ্যা স্বীকার করল কর্তৃপক্ষ সেনা অভিযানে আটক বিএনপি নেতার মৃত্যু: সেনাপ্রধানের হস্তক্ষেপ প্রত্যাশা বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে ১৫ সংস্কার প্রস্তাব অন্তর্ভুক্তির আহ্বান ক্যাম্প কমান্ডারসহ সব সেনাসদস্যকে প্রত্যাহার, তদন্ত কমিটি গঠন: আইএসপিআর এলপিজি সংকটে স্বস্তির উদ্যোগ: বাকিতে আমদানির সুযোগ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক মাইন বিস্ফোরণে উড়ে গেল যুবকের পা, সীমান্তজুড়ে আতঙ্ক

টিকা কর্মসূচি চলমান রাখতে বাংলাদেশের পাশে  থাকবে ভারত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২০:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল ২০২১ ২৯১ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

 

ভারতের হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী বলেছেন,  চুক্তি অনুযায়ী  ৭ মিলিয়ন টিকা বাংলাদেশ গ্রহণ করেছে।  বাংলাদেশে যাতে করে   টিকা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারে,  সেই বিষয়ে সহযোগিতা করবে ভারত।  সহযোগিতার আরও ৩.৩ মিলিয়ন টিকা সরবরাহ করা হয়েছে।

এসময় তিনি আরও বলেছেন, বিশ্বব্যাপী করোনার টিকার প্রাপ্যতা নিয়ে একটা সংকট রয়েছে। সরবরাহের তুলনায় চাহিদা অনেক বেশি।

দিল্লি থেকে আগরতলা-আখাউড়া সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী।

ভারতীয় হাইকমিশনার দোরাইস্বামী ১৮ এপ্রিল একই  সীমান্ত পথে ভাতে যান।

বিক্রম দোরাইস্বামী বলেন, ‘ভারত যতগুলো দেশকে করোনার টিকা সরবরাহ করেছে, তার মধ্যে সর্ববৃহৎ দেশ বাংলাদেশ।’

ভারতের হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত সরকারসহ বিভিন্ন দেশের ও কোম্পানি এবং টিকা প্রস্তুতের আসল ফর্মুলার মালিকদের সঙ্গে টিকার চুক্তিমূলক সীমাবদ্ধতা রয়েছে। সবাই মিলে টিকার প্রাপ্যতা ও সরবরাহ বাড়াতে কাজ করছে।

বাংলাদেশে করোনার টিকার কার্যক্রম চলমানে ভারত কাজ করে যাচ্ছে। টিকা  সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে হাইকমিশনার বলেন, ‘আমাদের কাছে যা আছে এর বেশি তো দেওয়া সম্ভব না।

উৎপাদনের প্রাপ্যতার তুলনায় যত বেশি সম্ভব, বাংলাদেশকে টিকা প্রদানের নিশ্চয়তা আমরা দিয়েছি। আর আমাদের যা আছে তা বলতে পারব। যা নেই তা বলতে পারব না।

ভারতের পত্রপত্রিকায়ও টিকার ঘাটতি নিয়ে সংবাদ পরিবেশন হচ্ছে। ভারতের বড় বড় শহরেও টিকার ঘাটতি রয়েছে।’

দোরাইস্বামী বলেন, ‘করোনার দ্বিতীয় ঢেউটা অনেক বড়। ইন্ডিয়ার অবস্থাও দিন দিন কঠিন হচ্ছে। আমরা সবাই একত্রে কাজ করছি। দুই দেশ মিলে আমরা এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করার চেষ্টা করছি। আমরা এর সমাধানে উভয় দেশ মিলেই সর্বাত্মক সহযোগিতার চেষ্টা করছি।’

ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্কের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘দুই দেশের সম্পর্ক অনেক বিশেষ। বাংলাদেশের সঙ্গে যে আমরা যুক্ত এর গুরুত্ব তুলে ধরার জন্যই করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের মধ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে এসেছেন।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্বীকৃতির গুরুত্বের জন্য ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দিয়েছেন।

এই সম্পর্ক সব সময় বিশেষ গুরুত্বের। ভারতীয় হাইকমিশনার  আরও বলেন, যদিও একটা অস্বাভাবিক সময়ের মধ্য দিয়ে আমরা এখন যাচ্ছি। আশা করি পবিত্র রমজান মাসে আমরা সবাই মিলে প্রার্থনা করে ইতিবাচক শক্তি জোগাতে পারব। আমরা সবাই মিলে এই পরিস্থিতি থেকে বের হতে পারব।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

টিকা কর্মসূচি চলমান রাখতে বাংলাদেশের পাশে  থাকবে ভারত

আপডেট সময় : ০২:২০:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল ২০২১

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

 

ভারতের হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী বলেছেন,  চুক্তি অনুযায়ী  ৭ মিলিয়ন টিকা বাংলাদেশ গ্রহণ করেছে।  বাংলাদেশে যাতে করে   টিকা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারে,  সেই বিষয়ে সহযোগিতা করবে ভারত।  সহযোগিতার আরও ৩.৩ মিলিয়ন টিকা সরবরাহ করা হয়েছে।

এসময় তিনি আরও বলেছেন, বিশ্বব্যাপী করোনার টিকার প্রাপ্যতা নিয়ে একটা সংকট রয়েছে। সরবরাহের তুলনায় চাহিদা অনেক বেশি।

দিল্লি থেকে আগরতলা-আখাউড়া সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী।

ভারতীয় হাইকমিশনার দোরাইস্বামী ১৮ এপ্রিল একই  সীমান্ত পথে ভাতে যান।

বিক্রম দোরাইস্বামী বলেন, ‘ভারত যতগুলো দেশকে করোনার টিকা সরবরাহ করেছে, তার মধ্যে সর্ববৃহৎ দেশ বাংলাদেশ।’

ভারতের হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত সরকারসহ বিভিন্ন দেশের ও কোম্পানি এবং টিকা প্রস্তুতের আসল ফর্মুলার মালিকদের সঙ্গে টিকার চুক্তিমূলক সীমাবদ্ধতা রয়েছে। সবাই মিলে টিকার প্রাপ্যতা ও সরবরাহ বাড়াতে কাজ করছে।

বাংলাদেশে করোনার টিকার কার্যক্রম চলমানে ভারত কাজ করে যাচ্ছে। টিকা  সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে হাইকমিশনার বলেন, ‘আমাদের কাছে যা আছে এর বেশি তো দেওয়া সম্ভব না।

উৎপাদনের প্রাপ্যতার তুলনায় যত বেশি সম্ভব, বাংলাদেশকে টিকা প্রদানের নিশ্চয়তা আমরা দিয়েছি। আর আমাদের যা আছে তা বলতে পারব। যা নেই তা বলতে পারব না।

ভারতের পত্রপত্রিকায়ও টিকার ঘাটতি নিয়ে সংবাদ পরিবেশন হচ্ছে। ভারতের বড় বড় শহরেও টিকার ঘাটতি রয়েছে।’

দোরাইস্বামী বলেন, ‘করোনার দ্বিতীয় ঢেউটা অনেক বড়। ইন্ডিয়ার অবস্থাও দিন দিন কঠিন হচ্ছে। আমরা সবাই একত্রে কাজ করছি। দুই দেশ মিলে আমরা এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করার চেষ্টা করছি। আমরা এর সমাধানে উভয় দেশ মিলেই সর্বাত্মক সহযোগিতার চেষ্টা করছি।’

ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্কের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘দুই দেশের সম্পর্ক অনেক বিশেষ। বাংলাদেশের সঙ্গে যে আমরা যুক্ত এর গুরুত্ব তুলে ধরার জন্যই করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের মধ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে এসেছেন।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্বীকৃতির গুরুত্বের জন্য ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দিয়েছেন।

এই সম্পর্ক সব সময় বিশেষ গুরুত্বের। ভারতীয় হাইকমিশনার  আরও বলেন, যদিও একটা অস্বাভাবিক সময়ের মধ্য দিয়ে আমরা এখন যাচ্ছি। আশা করি পবিত্র রমজান মাসে আমরা সবাই মিলে প্রার্থনা করে ইতিবাচক শক্তি জোগাতে পারব। আমরা সবাই মিলে এই পরিস্থিতি থেকে বের হতে পারব।’