ঢাকা ০১:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশে দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিনের ছুটি ৫৫ বছরের ইতিহাসে নতুন নজির ঢাকা, গাজীপুর ও রংপুরের সড়ক-ড্রেন উন্নয়নে ৫ হাজার ১৮৪ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন বিমান বহরে আসছে ১০ নতুন উড়োজাহাজ, চূড়ান্ত চুক্তি আজ এডেন বিমানবন্দরে হুথিদের জোড়া ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ডেঙ্গুর ভয়াবহ থাবা একদিনে গেলো আরও ১০ প্রাণ হাসপাতালে ২ হাজার প্রজনন মৌসুম মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন সামাজিক নিরাপত্তায় ধনীরা পান বেশি, বাদ পড়ছে অর্ধেক দরিদ্র এনজিও-বেসরকারি খাতের সঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারত্ব চান: অর্থমন্ত্রী নজরুলের সাম্যের বাণী বুকে ধারণ করে শিক্ষার আলো ছড়াতে চান মঞ্জুরুল কবীর মক্কা চুক্তিতে সৌদি আরবে সেনা পাঠাবে তুরস্ক-পাকিস্তান

চীনে রপ্তানি বন্ধে আর্থিক সংকটে নেপালি ব্যবসায়ীরা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৩:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ মে ২০২১ ৩৩৮ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক 

করোনা সংক্রমণ রোধে চীনের সীমান্ত বন্ধের সিদ্ধান্তে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে নেপাল। বহুসংখ্যক  নেপালি উদ্যোক্তা চীনে পণ্য রপ্তানি না পারায় আর্থিক সংকটে পড়েছেন।

নেপাল চেম্বার অব কমার্সের সদ্য সাবেক সভাপতি রাজেশ কাজি বলেন, ‘থামেল, পাটান এবং ভক্তপুর থেকে কার্পেট, থাংকা, রুপার গহনা, কাঠের কারুশিল্প, পশমিনা, মূর্তি রপ্তানি প্রায় শূন্য। নেপাল চেম্বারে ৭০০ জনেরও বেশি সদস্য রয়েছেন। ব্যবসায়ীরা সড়ক ও আকাশ পথে পণ্য রপ্তানি করে আসছিলেন। কিন্তু ভাড়া ও বিভিন্ন চার্জ বাড়ার কারণে তারা মুনাফা অর্জন করতে পারছেন না।’

এছাড়াও শিল্প, বাণিজ্য ও সরবরাহ মন্ত্রণালয়ের সচিব দীনেশ শ্রেষ্ঠা বলেন, ‘তারা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং চীনা সরকারের সাথে বিষয়টি নিয়ে ক্রমাগত আলোচনা করছেন। তবে এখনই কোনো অগ্রগতি জানাতে পারছেন না।’

কাঠমান্ডু পোস্ট অনুসারে, কেরুং এবং টাটোপানি সীমান্ত পয়েন্টগুলো পুনরায় খোলা হয়েছে, কিন্তু আমদানি রফতানি শুরু হয়নি।

ফেডারেশন অব নেপালি চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির এক্সপোর্ট প্রমোশন সেন্টারের চেয়ারপার্সন মণীশ লাল প্রধান বলেছেন, ‘টাটোপানি বাণিজ্য কেন্দ্র বন্ধ হওয়ার পর থেকে নেপাল থেকে চীনে রপ্তানি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।’

নেপালি ব্যবসায়ীরা চীনের বিরুদ্ধে ‘অঘোষিত বাণিজ্য অবরোধ’ চালানোর অভিযোগ এনেছে। কারণ তাদের পণ্যদ্রব্য বোঝাই কন্টেইনার ট্রাকগুলিকে ১৬ মাসেরও বেশি সময় ধরে সীমান্ত অতিক্রম করে নেপালে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি।

উল্লেখ্য, গত বছরের জানুয়ারি থেকে অক্টোবরের মধ্যে মহামারির কারণে চীন তার সীমান্ত পয়েন্ট বন্ধ করে দেয় এবং এ বছরের ২০ জানুয়ারির পরে সীমান্তটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ অবস্থায় নেপালের নির্মাতা এবং রপ্তানিকারকরা কঠিন সময়ের মুখোমুখি হয়ে দিন যাপন করছেন। অনেকে আয়ের অন্যান্য উৎস খুঁজতে শুরু করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

চীনে রপ্তানি বন্ধে আর্থিক সংকটে নেপালি ব্যবসায়ীরা

আপডেট সময় : ০৭:৫৩:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ মে ২০২১

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক 

করোনা সংক্রমণ রোধে চীনের সীমান্ত বন্ধের সিদ্ধান্তে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে নেপাল। বহুসংখ্যক  নেপালি উদ্যোক্তা চীনে পণ্য রপ্তানি না পারায় আর্থিক সংকটে পড়েছেন।

নেপাল চেম্বার অব কমার্সের সদ্য সাবেক সভাপতি রাজেশ কাজি বলেন, ‘থামেল, পাটান এবং ভক্তপুর থেকে কার্পেট, থাংকা, রুপার গহনা, কাঠের কারুশিল্প, পশমিনা, মূর্তি রপ্তানি প্রায় শূন্য। নেপাল চেম্বারে ৭০০ জনেরও বেশি সদস্য রয়েছেন। ব্যবসায়ীরা সড়ক ও আকাশ পথে পণ্য রপ্তানি করে আসছিলেন। কিন্তু ভাড়া ও বিভিন্ন চার্জ বাড়ার কারণে তারা মুনাফা অর্জন করতে পারছেন না।’

এছাড়াও শিল্প, বাণিজ্য ও সরবরাহ মন্ত্রণালয়ের সচিব দীনেশ শ্রেষ্ঠা বলেন, ‘তারা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং চীনা সরকারের সাথে বিষয়টি নিয়ে ক্রমাগত আলোচনা করছেন। তবে এখনই কোনো অগ্রগতি জানাতে পারছেন না।’

কাঠমান্ডু পোস্ট অনুসারে, কেরুং এবং টাটোপানি সীমান্ত পয়েন্টগুলো পুনরায় খোলা হয়েছে, কিন্তু আমদানি রফতানি শুরু হয়নি।

ফেডারেশন অব নেপালি চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির এক্সপোর্ট প্রমোশন সেন্টারের চেয়ারপার্সন মণীশ লাল প্রধান বলেছেন, ‘টাটোপানি বাণিজ্য কেন্দ্র বন্ধ হওয়ার পর থেকে নেপাল থেকে চীনে রপ্তানি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।’

নেপালি ব্যবসায়ীরা চীনের বিরুদ্ধে ‘অঘোষিত বাণিজ্য অবরোধ’ চালানোর অভিযোগ এনেছে। কারণ তাদের পণ্যদ্রব্য বোঝাই কন্টেইনার ট্রাকগুলিকে ১৬ মাসেরও বেশি সময় ধরে সীমান্ত অতিক্রম করে নেপালে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি।

উল্লেখ্য, গত বছরের জানুয়ারি থেকে অক্টোবরের মধ্যে মহামারির কারণে চীন তার সীমান্ত পয়েন্ট বন্ধ করে দেয় এবং এ বছরের ২০ জানুয়ারির পরে সীমান্তটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ অবস্থায় নেপালের নির্মাতা এবং রপ্তানিকারকরা কঠিন সময়ের মুখোমুখি হয়ে দিন যাপন করছেন। অনেকে আয়ের অন্যান্য উৎস খুঁজতে শুরু করেছেন।