ঢাকা ০২:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
স্বর্ণের বাহক বিমানকর্মী, নেপথ্যে কারা? ডেঙ্গুর থাবা মৃত্যু ২ একদিনে হাসপাতালে নতুন ভর্তি ৯৮৮ রবি-বোরো মৌসুমের আগে নন-ইউরিয়া সার আমদানিতে জোর শিক্ষক দিবসে ফিদেলের আয়নায় নিজের মুখ বিরোধীদলকে রিজভী গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট কর্মসূচির পাশাপাশি বিকল্প পরিকল্পনা দিন অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়ে গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী সংসদে বাণিজ্যমন্ত্রী গত তিন বছরে চার শতাধিক পোশাক কারখানা বন্ধ হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইস্টার্ন রিফাইনারি সম্প্রসারণে আইডিবির ১ বিলিয়ন ডলারের  চুক্তি সই ২০২৭ সালেও দুই পর্বে বিশ্ব ইজতেমা দ্বীনের ময়দানে বিভাজনের ছায়া সংঘাত ঠেকানোই বড় চ্যালেঞ্জ

গ্যাসের আগুনে একই পরিবারের শিশুসহ ৭ জন দগ্ধ

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা
  • আপডেট সময় : ১২:২৪:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৫৩ বার পড়া হয়েছে

গ্যাসের আগুনে একই পরিবারের শিশুসহ ৭ জন দগ্ধ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঢাকার আগারগাঁওয়ের একটি  বাসায় গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে লাগা আগুনে শিশুসহ একই পরিবারের ৭ জন দগ্ধ হয়েছে।

শনিবার ভোর সাড়ে ৪টা নাগাদ আগারগাঁও পাকা মার্কেট সড়ক এলাকার সরকারি কোয়ার্টারে  ঘটনা।

দগ্ধদের চিকিৎসার জন্য ঢাকার বার্ন ইউনিটে নেওয়া হয়েছে। পরিবারের লোকজন বলেছে, গ্যাসের লাইন লিকেজ থেকে এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত।

দগ্ধদের মধ্যে মো. আব্দুল জলিল মিয়া (৫০), তার স্ত্রী আরনেজা বেগম (৪০), ছেলে আসিফ (১৯), সাকিব (১৬), আসিফের স্ত্রী মনিরা (১৭) এবং জলিলের নাতনী ইভা (৬) ও ইশা (৬)।

দগ্ধদের গ্রামের বাড়ি শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলায়, পরিবারটি আগারগাঁও সরকারি কোয়ার্টারের বাসায় ভাড়া থাকে।

বার্ন ইউনিটের আবাসিক সার্জন ডা. হারুনুর রশীদ বলেন, জলিলের ১২ শতাংশ, আরনেজার ১০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। বাকিদের হাত-পা দগ্ধ হয়েছে।

এদের মধ্যে মনিরা ৮ মাসের অন্তসত্ত্বা। হাত-পা দগ্ধ হওয়ায় চিকিৎসা দিয়ে গাইনি বিভাগে পাঠানো হয়েছে। জলিল ও আরনেজা বেগমকে ভর্তি করা হয়েছে, বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে অবজারভেশনে ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে।

আহতদের হাসপাতালে নিয়ে আসা জলিল মিয়ার জামাতা আরফান মিয়া বলেন, রাতে বাসার পাশাপাশি কক্ষে ঘুমিয়ে ছিলেন পরিবারের সবাই। ভোরের দিকে তার আরনেজা বেগম রান্না ঘরে গিয়ে ম্যাচ জালাতেই টিনশেড বাসাটিতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং পরিবারের ৭ জনই দগ্ধ হয়।

আরফান মিয়া এবং তার স্ত্রী জনিভা আক্তার ঘটনার সময় পাশে আরেকটি কক্ষে ছিলেন। তারা দগ্ধ না হলেও তাদের দুই মেয়ে ইভা ও ইশা নানার কক্ষে থাকায় দগ্ধ হয়েছে।

দগ্ধ আসিফ বলেছেন, গত দেড়মাস ধরে তারা বাসাটিতে গ্যাসের গন্ধ পাচ্ছিলেন, বাড়িওয়ালাকে বারবার বললেও কোনো প্রতিকার পাননি।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

গ্যাসের আগুনে একই পরিবারের শিশুসহ ৭ জন দগ্ধ

আপডেট সময় : ১২:২৪:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৫

ঢাকার আগারগাঁওয়ের একটি  বাসায় গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে লাগা আগুনে শিশুসহ একই পরিবারের ৭ জন দগ্ধ হয়েছে।

শনিবার ভোর সাড়ে ৪টা নাগাদ আগারগাঁও পাকা মার্কেট সড়ক এলাকার সরকারি কোয়ার্টারে  ঘটনা।

দগ্ধদের চিকিৎসার জন্য ঢাকার বার্ন ইউনিটে নেওয়া হয়েছে। পরিবারের লোকজন বলেছে, গ্যাসের লাইন লিকেজ থেকে এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত।

দগ্ধদের মধ্যে মো. আব্দুল জলিল মিয়া (৫০), তার স্ত্রী আরনেজা বেগম (৪০), ছেলে আসিফ (১৯), সাকিব (১৬), আসিফের স্ত্রী মনিরা (১৭) এবং জলিলের নাতনী ইভা (৬) ও ইশা (৬)।

দগ্ধদের গ্রামের বাড়ি শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলায়, পরিবারটি আগারগাঁও সরকারি কোয়ার্টারের বাসায় ভাড়া থাকে।

বার্ন ইউনিটের আবাসিক সার্জন ডা. হারুনুর রশীদ বলেন, জলিলের ১২ শতাংশ, আরনেজার ১০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। বাকিদের হাত-পা দগ্ধ হয়েছে।

এদের মধ্যে মনিরা ৮ মাসের অন্তসত্ত্বা। হাত-পা দগ্ধ হওয়ায় চিকিৎসা দিয়ে গাইনি বিভাগে পাঠানো হয়েছে। জলিল ও আরনেজা বেগমকে ভর্তি করা হয়েছে, বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে অবজারভেশনে ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে।

আহতদের হাসপাতালে নিয়ে আসা জলিল মিয়ার জামাতা আরফান মিয়া বলেন, রাতে বাসার পাশাপাশি কক্ষে ঘুমিয়ে ছিলেন পরিবারের সবাই। ভোরের দিকে তার আরনেজা বেগম রান্না ঘরে গিয়ে ম্যাচ জালাতেই টিনশেড বাসাটিতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং পরিবারের ৭ জনই দগ্ধ হয়।

আরফান মিয়া এবং তার স্ত্রী জনিভা আক্তার ঘটনার সময় পাশে আরেকটি কক্ষে ছিলেন। তারা দগ্ধ না হলেও তাদের দুই মেয়ে ইভা ও ইশা নানার কক্ষে থাকায় দগ্ধ হয়েছে।

দগ্ধ আসিফ বলেছেন, গত দেড়মাস ধরে তারা বাসাটিতে গ্যাসের গন্ধ পাচ্ছিলেন, বাড়িওয়ালাকে বারবার বললেও কোনো প্রতিকার পাননি।