ঢাকা ০৯:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

গোয়েন্দা খাতায় ৩১৩ অর্থ যোগানদাতার নাম

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:২০:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ এপ্রিল ২০২১ ৯০ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

হেফাজতে ইসলামের অর্থের যোগানদাতা হিসেবে ৩১৩ জনকে চিহ্নিত করেছে হয়েছে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি)। মঙ্গলবার ঢাকা মেট্রোপলিটর পুলিশের (ডিএমপি) সদর দপ্তরে সাংবাদিকদের এ কথা জানান, অতিরিক্ত কমিশনার এ কে এম হাফিজ আক্তার।

তারা ৩১৩ জনকে চিহ্নিত করেছেন, যারা হেফাজতে ইসলামের অর্থ যোগান দিতেন। পুলিশ হেফাজতে থাকা মামুনুল হকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৬ কোটি টাকার লেনদেনের তথ্য পেয়েছেন গোয়েন্দারা।

হাফিজ আক্তার বলেন, হেফাজতে ইসলামের সদ্য বিলুপ্ত কমিটির আমির জুনায়েদ বাবুনগরীর ছেলের বিয়েতেই সাবেক আমির আল্লামা শফীকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা হয়। বিয়ের অনুষ্ঠানে মামুনুল হক, জুনায়েদ আল হাবিবসহ কয়েকজন নেতার বৈঠক হয়। সেই বৈঠকে আল্লামা শফীকে সরিয়ে বাবুনগরীকে আমির করার পরিকল্পনা হয়।

২৬ মার্চ থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ধারাবাহিক সহিংসতার ঘটনায় হেফাজতে ইলামের সংশ্লিষ্ট নেতাদের পর্যায়ক্রমে জড়িতদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। এ অবস্থায় রবিবার হেফাজতের কেন্দ্রীয় কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়।

গত ১৮ এপ্রিল রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া মাদরাসা থেকে মামুনুল হককে গ্রেফতার করে পুলিশ। ১৯ এপ্রিল তাকে একটি মামলায় সাত দিনের হেফাজনে নেয় পুলিশ। ২৬ এপ্রিল ফের আদালতে তোলা হয় এবং গোয়েন্দা পুলিশের আবেদনের প্রেক্ষিতে অপর দুই মামলায় আরও ১০ দিনের পুলিশ হেফাজতে দিয়েছেন আদালত।

মামুনুলকে জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়ে পুলিশ জানায়, সম্প্রতি গ্রেফতার হওয়া হেফাজত নেতাদের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। পাকিস্তানের ‘পতহেরিক-ই-লাব্বায়িক’ নামের সংগঠনের আদলে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশকে গঠন করে পাকিস্তান বা আফগানিস্তানের মতো এ দেশকে গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন তারা।

পুলিশ আরও জানায়, শনিবার গ্রেফতার হেফাজতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির আহমদ আবদুল কাদের ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি। হেফাজতে ইসলামের অধিকাংশ নেতাই জামায়াত-শিবিরের সঙ্গে জড়িত। মাদরাসার শিশুদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে সরকার উৎখাত করে ক্ষমতায় যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন হেফাজত নেতা মামুনুল হক।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published.

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

গোয়েন্দা খাতায় ৩১৩ অর্থ যোগানদাতার নাম

আপডেট সময় : ০৫:২০:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ এপ্রিল ২০২১

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

হেফাজতে ইসলামের অর্থের যোগানদাতা হিসেবে ৩১৩ জনকে চিহ্নিত করেছে হয়েছে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি)। মঙ্গলবার ঢাকা মেট্রোপলিটর পুলিশের (ডিএমপি) সদর দপ্তরে সাংবাদিকদের এ কথা জানান, অতিরিক্ত কমিশনার এ কে এম হাফিজ আক্তার।

তারা ৩১৩ জনকে চিহ্নিত করেছেন, যারা হেফাজতে ইসলামের অর্থ যোগান দিতেন। পুলিশ হেফাজতে থাকা মামুনুল হকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৬ কোটি টাকার লেনদেনের তথ্য পেয়েছেন গোয়েন্দারা।

হাফিজ আক্তার বলেন, হেফাজতে ইসলামের সদ্য বিলুপ্ত কমিটির আমির জুনায়েদ বাবুনগরীর ছেলের বিয়েতেই সাবেক আমির আল্লামা শফীকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা হয়। বিয়ের অনুষ্ঠানে মামুনুল হক, জুনায়েদ আল হাবিবসহ কয়েকজন নেতার বৈঠক হয়। সেই বৈঠকে আল্লামা শফীকে সরিয়ে বাবুনগরীকে আমির করার পরিকল্পনা হয়।

২৬ মার্চ থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ধারাবাহিক সহিংসতার ঘটনায় হেফাজতে ইলামের সংশ্লিষ্ট নেতাদের পর্যায়ক্রমে জড়িতদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। এ অবস্থায় রবিবার হেফাজতের কেন্দ্রীয় কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়।

গত ১৮ এপ্রিল রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া মাদরাসা থেকে মামুনুল হককে গ্রেফতার করে পুলিশ। ১৯ এপ্রিল তাকে একটি মামলায় সাত দিনের হেফাজনে নেয় পুলিশ। ২৬ এপ্রিল ফের আদালতে তোলা হয় এবং গোয়েন্দা পুলিশের আবেদনের প্রেক্ষিতে অপর দুই মামলায় আরও ১০ দিনের পুলিশ হেফাজতে দিয়েছেন আদালত।

মামুনুলকে জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়ে পুলিশ জানায়, সম্প্রতি গ্রেফতার হওয়া হেফাজত নেতাদের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। পাকিস্তানের ‘পতহেরিক-ই-লাব্বায়িক’ নামের সংগঠনের আদলে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশকে গঠন করে পাকিস্তান বা আফগানিস্তানের মতো এ দেশকে গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন তারা।

পুলিশ আরও জানায়, শনিবার গ্রেফতার হেফাজতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির আহমদ আবদুল কাদের ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি। হেফাজতে ইসলামের অধিকাংশ নেতাই জামায়াত-শিবিরের সঙ্গে জড়িত। মাদরাসার শিশুদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে সরকার উৎখাত করে ক্ষমতায় যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন হেফাজত নেতা মামুনুল হক।