শুক্রবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২১, ০৪:৫৮ অপরাহ্ন

একাত্তরের ক্ষতচিহ্ন এবং চীনের ক্ষমা চাওয়ার যৌক্তিকতা

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২১
  • ২৭ Time View

অরুণ কুমার গোস্বামী

একাত্তরের ক্ষতচিহ্ন স্বাধীন বাংলাদেশে এখনও দগদগে ঘা হয়ে বিরাজ করছে। এবারে ২০২১ সালের দুর্গপূজার সময় ঘটে যাওয়া সাম্প্রদায়িক হামলা আমাদের ফিরে নিয়ে যায় ১৯৭১ এর যুদ্ধাপরাধী ও মানবতাবিরোধী অপরাধী এবং তাদের অনুসারীদের সাম্প্রতিক কর্মকান্ডের দিকে। ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংলাদেশের মানুষ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে। আর সেসময় পাকিস্তানী সেনারা চীনের সরবরাহকৃত বুলেট দিয়ে বাঙালিদের হত্যা করেছে।

এই পরিস্থিতিতে চীন যখন তার সব ঋতুর বন্ধু পাকিস্তানের উপর ভর করে বাংলাদেশের উন্নয়ন অংশীদার হয়ে দক্ষিণ এশিয়ায় প্রভাব বলয় বৃদ্ধি করতে চাইছে, তখন এব্যাপারে দ্বিতীয়বার চিন্তা তথা বাংলাদেশের নিকট চীনের ক্ষমা চাওয়ার যৌক্তিকতা এই লেখায় তুলে ধরা হচ্ছে।

ভারতের উপর চাপ সৃষ্টি করার লক্ষ্যে চীনের নেক্ড়ে-যোদ্ধা কূটনীতি দক্ষিণ এশিয়ায় তার বন্ধু খুঁজে বেড়াচ্ছে।চীন এক্ষেত্রে তার সবঋতুর বন্ধু পাকিস্তান, নতুন দোসর নেপাল, ঋণফাঁদে বন্দী শ্রীলঙ্কাকে পেয়েছে। আফগানিস্তানে তালেবান ক্ষমতা দখলের সাথে সাথে সেদেশও চীনের

ক্ষমতার অধীনে চলে গিয়েছে। যদিও তালেবান শাসিত বর্তমান আফগানিস্তান সরকারি পর্যায়ে ভারতের সাথে বন্ধুত্ব বজায় রাখতে চাইছে। দৃশ্যত বাংলাদেশের সাথে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক নতুন উ”চতায় নিয়ে যাওয়ার জন্য চীন উদ্গ্রীব হয়ে আছে।

উন্নয়ন অংশীদার চীন সম্পর্কটা শুরু হয়েছিল হত্যাকারী এবং হত্যার শিকারে পরিণত হওয়া দু’টি রাজনৈতিক সত্তার মধ্যকার মিথ্ষ্ক্রিয়ার মধ্য দিয়ে। হত্যাকারী পাকিস্তান বাহিনী বাঙালিদের চীনা বুলেট দিয়েই হত্যা করেছিল। চীনের বিরোধীতা সত্ত্বেও ভারতের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় স্বাধীন হওয়া বাংলাদেশকে মেনে নিতে পারেনি চীন। বঙ্গবন্ধু চীনের সাথে বন্ধুত্ব করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু চীন তাঁকে ফিরিয়ে দিয়েছিল। বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের পরেই কেবল চীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছে।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতিরপিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর এবং ১৯৯১ সালে দ্বিতীয় গণতান্ত্রিক পালাবদলের প্রেক্ষপটে বাংলাদেশ সরকার দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য চীনের সাথে অংশীদারিত্ব শুরু করে। খালেদা জিয়ার ইসলামপন্থী শাসনামলে ভারতীয় প্রভাবমুক্ত হওয়ার লক্ষ্যে চীনের দ্বারস্থ হওয়া শুরু করে। যা উভয় দেশের জন্য সম্প্রসারিত কৌশলগত লাভ ছিল।

চীন ও পাকিস্তান তখন (১৯৯১-১৯৯৬) বাংলাদেশে সর্বাধিক সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহকারী ছিল। জতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনীতে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের জন্য এগুলো প্রয়োজন হয়েছিল। চীন-পাকিস্তান অক্ষ শক্তির ক্রমবর্ধমান প্রভাব দেশের রাজনীতি, আমলাতন্ত্র এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের গভীরে প্রবেশ করেছিল।

পরবর্তী বছরগুলোতে, বাংলাদেশে মেগা অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পগুলোতে চীন গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অংশীদার হিসাবে আবির্ভূত হয়। এই সাথে আনন্দে বিগলিত হয়ে কিছু রাজনীতিক কিংকং-এর মত লাফাতে শুরু করে।

সংবাদ মাধ্যমের খবর অনুযায়ী পরপর চতুর্থবারের মত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেছেন যে চীনের সাথে বহুকোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যাপারে বাংলাদেশ দ্বিতীয়বার চিন্তা করবে।

দক্ষিণ এশিয়া, আফ্রিকা এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জে অবস্থিত তৃতীয় বিশে^র কয়েকটি দেশে ঋণ-ফাঁদে ধরা খাওয়া সম্পর্কে বিশ^ সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনগুলোর প্রতি বাংলাদেশের নেতাদের দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়েছে। যা ঘটেছে তা হলো মেগা প্রকল্পগুলোতে বিনিয়োগকৃত বিশাল অঙ্কের টাকা এসব দেশের রাষ্ট্রীয় কোষাগার পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়েছে। ঋণের ফাঁদে বন্দী হওয়া সরকারগুলোকে ঋণমুক্ত করার জন্য চীন মেরিটাইম বন্দর এবং অন্যান্য ফ্যাসিলিটিজগুলো ৯৯ বছরের লিজ নিয়েছে। এভাবেই কাহিনীটির পরিসমাপ্তি ঘটে!

বাংলাদেশের গণহত্যায় চীনের সক্রিয় সহযোগিতা

১৯৭১ সালের পাকিস্তানের জল্লাদ সেনাবহিনী ও তাদের ইসলামী মিলিশিয়া যুদ্ধের অস্ত্র হিসাবে গণহত্যা ও ধর্ষণের মাধ্যমে বাঙালি জাতিকে নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছিল। চীনের কমিউনিস্ট পার্টির ঘনিষ্ঠ সহযোগী পাকিস্তান তখন বাঙালিদের দমনের জন্য সীমাহীন সামরিক সরঞ্জাম এবং রাজনৈতিক মদদ লাভ করেছে। পাকিস্তানী সংবাদ মাধ্যমের মত চীনা গণ মাধ্যমও তখন বাঙালিদের ওপর পাকিস্তানী বাহিনীর দ্বারা সংঘটিত গণহত্যার ব্যাপারে নীরব থেকেছে।

বাঙালিদের ওপর পাকিস্তানীদের দ্বারা পরিচালিত গণহত্যার জন্য প্রয়োজনীয় গুলি-গোলা ও অস্ত্র সরবরাহের জন্য চীনের উচিৎ দায়িত্ব স্বীকার করে নিয়ে ক্ষমা চাওয়া। গণহত্যার প্রতিটি শিকারের জন্য রাওয়ালপিন্ডির যুদ্ধবাজদের নিকট উপহার হিসাবে ’মেইড ইন চায়না’ লেখা বুলেট সরবরাহ করত চীন। এই বুলেটগুলো স্বাধীন বাংলাদেশ যারা চাইতেন তাদের হত্যার জন্য ব্যবহার করা হতো। ১৯৭১-এ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে বিশ্বজনমত চীন উপেক্ষা করে চলত। জীবন বাঁচানোর জন্য যে এককোটি বাঙালি শরণার্থী ভারতে আশ্রয় নিয়েছিল তাদের কান্না এবং দুর্বিসহ অবস্থার কথা চীনের কানে তখন পৌঁছায় নাই। বিশে^র অনেক দেশে এককোটি লোকসংখ্যাও নাই।

অপর পক্ষে, প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের অনুরোধে চীনা-পন্থী বামপন্থী রাজনৈতিক দল ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির নেতা মওলানা ভাসানী বাংলাদেশকে সমর্থন করার জন্য চীনা কমিউনিস্ট পার্টিকে অনুরোধ করলেও তারা এর কোন উত্তর দেয় নাই। এর পরিবর্তে, চীন অস্ত্রÑশস্ত্র ও গোলাবারুদের সরবরাহ বৃদ্ধি করেছে। স্বাধীনতা লাভের পর চীন সদ্যজাত স্বাধীন বাংলাদেশকে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিকভাবে হয়রানি করা অব্যাহত রেখেছে।

স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদাতা সর্বশেষ দেশ চীন

১৯৭২ সালের এপ্রিল পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, গ্রেট ব্রিটেন, জাপান, অস্ট্রেলিয়া এবং আরও অনেক দেশ একটির পর একটি করে যুদ্ধ বিধ্বস্ত স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছে। সমস্যা শুরু হয় যখন ১৯৭২ সালে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভের জন্য বাংলাদেশ আবেদন করে তখন। বাংলাদেশের যখন আন্তর্জাতিক খাদ্য সাহায্য এবং পুনর্বাসনের জন্য বাজেট প্রয়োজন

ছিল, তখন চীন স্বতস্ফূর্তভাবে দুইবার জাতিসংঘে বাংলাদেশে সদস্যপদের বিরোধীতা করেছে। ইচ্ছাকৃতভাবে চীন কর্তৃক বাংলাদেশের আবেদনের বিরোধীতা করার কারণ ভারতের হাতে পাকিস্তানী যুদ্ধবন্দী এবং বেসামরিক ব্যক্তিবর্গেও প্রত্যাবর্তণ বাস্তবায়ন না হওয়া। নিশ্চিতভাবেই পাকিস্তানকে ভালো রাখার উদ্দেশ্যেই চীন এই কাজটি করেছে।

এশীয় মহীরুহ চীনা তৎপরতায় সামনে টিকে থাকা এবং দেশের কূটনৈতিক সামর্থ্য বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন (এন এ এম), কমনওয়েলথ এবং ইসলামী সম্মেলন সংস্থা (ওআইসি) যোগদান করেন। যা বিশ্ব পরিমন্ডলে বাংলাদেশের অবস্থান সুদৃঢ় করে। ওআইসি সম্মেলনের আগে ইসলামী নেতাদের চাপে ১৯৭৪ সালে পাকিস্তান সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। এমনকি পাকিস্তান কর্তৃক স্বীকৃতি দেয়ার পরেও চীন

বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় নাই। সেসময় বাংলাদেশে সক্রিয় চীনাপন্থী কমিউনিস্ট পার্টিগুলো চীনা কমিউনিস্ট পার্টিও আশীর্বাদ লাভ করত। কয়েকটি ভাগে বিভক্ত বামপন্থী দলগুলো মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতা করেছিল, স্বাধীন বাংলাদেশকে বাতিল করতে চেয়েছিল, ভারতপন্থী বলে নিন্দা এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সরকারের বিরোধীতা করেছিল।

চীনাপন্থী চরমপন্থী গোষ্ঠীগুলো তখন আন্ডারগ্রাউন্ডে থাকত এবং তাদের দলগুলোর নামের আগে ইচ্ছাকৃতভাবে “পূর্ব পাকিস্তান” “পূর্ব বাংলা” শব্দবন্ধগুলো ব্যবহার করত। অবাক করার কোন বিষয় নয় যে, বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের পর চরম বামপন্থী দলগুলো মাটির নীচ থেকে তাদের মাথা উঁচু করে এবং চীনা কমিউনিস্ট পার্টির মদতে সশস্ত্র যুদ্ধ বাতিল করে।

বঙ্গবন্ধু তাঁর  “আমার দেখা নয়াচীন” এ লিখেছেন যে তিনি দু’বার চীন সফর করেছিলেন। প্রথম ১৯৫২ সালে এবং পরে ১৯৫৭ সালে। তাঁর এই সফরের সময় তিনি মাও জে দং, জৌ এন লাই প্রভৃতি গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের সাথে সাক্ষাৎ করেছিলেন। তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করতেন যে

বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়ার জন্য তাঁর অনুরোধে চীন সম্মত হবে। চীনা কমিউনিস্ট পার্টির সমর্থন আদায়ের জন্য বঙ্গবন্ধু কূটনৈতিক চ্যানেল উন্মুক্ত করেছিলেন। বেইজিংয়ে সেসময় পাকিস্তানের ঝানু কূটনীতিক (১৯৬৯-১৯৭২), পুরাতন ঢাকার নবাব বংশের সদস্য খাজা মোহাম্মদ কায়সারকে তার মেয়াদ উত্তীর্ন হবার পর দেশে ফিরে আসার সুযোগ দেয়া হয়েছিল।

রাষ্ট্রদূত কায়সারকে চীনা প্রধানমন্ত্রী জৌ এন লাই এই মর্মে অবহিত করেন যে তিনি তাঁর অসুবিধাটা বোঝেন। যা হোক, কায়সার ১৯৮৪ সালে দুই বছরের জন্য বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হয়ে বেইজিংয়ে ফিরে আসেন।

সাংবাদিক ও কবি ফয়েজ আহমদকেও বঙ্গবন্ধু চীনে পাঠিয়েছিলেন। ১৯৬০এর দিকে রেডিও বেইজিং এর বাংলা সার্ভিসে ফয়েজ যখন কাজ করতেন তখন চীনা কমিউনিস্ট পার্টিও উচ্চ পর্যায়ের নেতাদের সাথে বন্ধুত্ব হয়েছিল। ১৯৬৬-১৯৬৯ সালে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী থাকাকালে বঙ্গবন্ধুর সাথে ফয়েজ-এর ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়েছিল। তখনই চীনা রাজনৈতিক নেতাদের সাথে ফয়েজ-এর ঘনিষ্ঠতার কথা বঙ্গবন্ধু জানতে পেরেছিলেন।

বঙ্গবন্ধুর নির্দেশমত ফয়েজ হংকং হয়ে বেইজিং যান এবং চীনা কমিউনিস্ট পার্টিও জ্যেষ্ঠ্য নেতাদের সাথে সাক্ষাৎ করেন। দুর্ভাগ্যবশত: তিনি বেইজিং থেকে শূণ্য হাতে ফিরে আসেন। চীনের সাথে সম্পর্ক স্থাপনের মিশনগুলো একের পর এক ব্যর্থ হবার পরেও বঙ্গবন্ধু আশা ছাড়েন নাই।

শেষ পর্যন্ত চীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়, তবে নির্বাচিত বঙ্গবন্ধু সরকার থাকতে নয়, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের পর। বঙ্গবন্ধু হত্যাকারী অভ্যুত্থানের নেতাদের সরকারের শাসনকে চীন স্বীকৃতি দেয়।

স্বাধীন হবার চার বছর এবং বঙ্গবন্ধু হত্যার মাত্র ১৫ দিনের মাথায় চীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল। খুনি মোশতাকের নেতৃত্বে খুনি সেনা কর্মকর্তারা ৮৪ দিন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত থেকেছে। এসময় তারা চার জাতীয় নেতাকেও কারা অভ্যন্তরে হত্যা করেছিল। বাংলাদেশের রক্তাক্ত

অভ্যুদয়ের সময় চীনা কমিউনিস্ট পার্টির গণ-বিরোধী নীতি, পাকিস্তান কর্তৃক গণহত্যা অভিযান শক্তিশালী করার লক্ষ্যে চীনা বুলেট ও সামরিক সরঞ্জাম যোগান দেয়ার জন্য চীনের উচিৎ ক্ষমা চাওয়া। বঙ্গবন্ধুকে হয়রানি করার জন্যও চীনের ক্ষমা চাওয়া যৌক্তিক।

 

লেখক : প্রফেসর ড. অরুণ কুমার গোস্বামী, ইনস্টিটিউশনালাইজেশন অব ডেমোক্র্যাসি ইন বাংলাদেশ গ্রন্থের লেখক। ডিন, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ এবং চেয়ারম্যান, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, জগন্নাথ বিশ^বিদ্যালয়

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2017 voiceekattor
কারিগরি সহযোগিতায়: সোহাগ রানা
11223