ঢাকা ০৬:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিক্রয় উন্মোচন করলো প্রপার্টি বেচাকেনার তথ্যভিত্তিক ওয়েবসাইট ‘প্রপার্টি গাইড বাংলাদেশ শীর্ষস্থান হারালেন সাকিব, র‌্যাংকিংয়ে হৃদয়-তানজিদ-মুস্তাফিজের উন্নতি ত্বক ও চুলের যত্নে নিম পাতার ব্যবহার এপেক্সে নারী-পুরুষ নিয়োগ, কর্মস্থল ঢাকা আড়ংয়ে নারী-পুরুষ নিয়োগ, কর্মস্থল ঢাকা রোহিঙ্গাদের জন্য বিশ্বব্যাংক ৭০০ মিলিয়ন ডলার দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়ায় ‘মলমূত্র’ বহনকারী বেলুন পাঠাচ্ছে উত্তর কোরিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচন: তৃতীয় ধাপে বিজয়ী যারা প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল রেমালে ক্ষতিগ্রস্ত পটুয়াখালীর কলাপাড়া পরিদর্শন করবেন বাংলাদেশি ব্যবসায়ীর বিদেশে বিনোয়োগের ৭০% ভারতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য

উইঘুর শিশুদের জোরপূর্বক এতিমখানায় পাঠাচ্ছে চীন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১৫:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ মার্চ ২০২১ ১৮৫ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

উইঘুর শিশু। ছবি: এএফপি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

জোরপূর্বক উইঘুর সম্প্রদায়ের পরিবারগুলোকে আলাদা করছে চীনা প্রশাসন এবং তাদের সন্তানদের সরকার নিয়ন্ত্রিত এতিমখানায় পাঠাচ্ছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। শুক্রবার এসংক্রান্ত খবর প্রকাশ করেছে বিবিসি নিউজ।

প্রতিবেদন অনুসারে, এক মিলিয়নের বেশি সংখ্যালঘু উইঘুর সম্প্রদায়ের মানুষকে বন্দি করে রেখেছে চীন। যাদের মধ্যে অধিকাংশই মুসলমান। তাদের দিয়ে সেখানে জোরপূর্বক শ্রম খাটানো, নারীদের ওপর যৌন নির্যাতন ও ধর্ষণের মতো ঘটনা ঘটছে।

বিবিসি জানিয়েছে, অঞ্চলটি থেকে পালিয়ে বিদেশে আশ্রয় নেয়া কয়েকজন নির্যাতিত মানুষের বরাত দিয়ে রিপোর্টটি করা হয়েছে। হুমকির মুখে ওই নারীরা তাদের সন্তানদের নিজ দেশে দাদা-দাদির কাছে রেখে এসেছে। কিন্তু ওই শিশুগুলোকে জোর করে ধরে নিয়ে এতিমখানায় পাঠাচ্ছে চীনা কর্তৃপক্ষ।

এদিকে, শিশুদের এতিমখানা থেকে মুক্ত করে দিতে চীন সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। অবশ্য বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে এসব অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। পাশাপাশি এটাও দাবি করা হয়েছে যে, ক্যাম্পগুলোতে তাদের সন্ত্রাসবিরোধী শিক্ষা দেয়া হয়।

অ্যামনেস্টি জানিয়েছে, মিহরিবান কাদের এবং আবলিকিম মেমতিনিন নামের দুই উইঘুর নারী পুলিশি নির্যাতনের শিকার হয়ে ২০১৬ সালে ইতালিতে পালিয়ে গিয়ে আশ্রয় গ্রহণ করেন। তাদের চার সন্তানকে দাদা-দাদির কাছে রেখে যান। কিন্তু দাদিকে ক্যাম্পে ধরে নিয়ে যাওয়া হয় এবং দাদাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। এমতাবস্থায় অন্য আত্মীয়রা সন্তানদের দেখভালোর দায়িত্ব নেয়নি।

২০১৯ সালের নভেম্বরে এই দুই নারী ইতালিতে বৈধভাবে থাকার অনুমতি পান। একইসঙ্গে সন্তানদেরও দেশটিতে নিয়ে আসার জন্য বলে কর্তৃপক্ষ। কিন্তু শিশুদের আটকে রেখেছে চীনা পুলিশ এবং সরকার নিয়ন্ত্রিত এতিমখানায় পাঠিয়ে দিয়েছে। বর্তমানে আমার সন্তানরা চীন সরকারের হাতে বন্দি। জীবিতকালে তাদের আর দেখতে পাবো কিনা তা নিয়ে আমি সন্দিহান, যোগ করেন মিহরিবান কাদের।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published.

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

উইঘুর শিশুদের জোরপূর্বক এতিমখানায় পাঠাচ্ছে চীন

আপডেট সময় : ১০:১৫:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ মার্চ ২০২১

উইঘুর শিশু। ছবি: এএফপি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

জোরপূর্বক উইঘুর সম্প্রদায়ের পরিবারগুলোকে আলাদা করছে চীনা প্রশাসন এবং তাদের সন্তানদের সরকার নিয়ন্ত্রিত এতিমখানায় পাঠাচ্ছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। শুক্রবার এসংক্রান্ত খবর প্রকাশ করেছে বিবিসি নিউজ।

প্রতিবেদন অনুসারে, এক মিলিয়নের বেশি সংখ্যালঘু উইঘুর সম্প্রদায়ের মানুষকে বন্দি করে রেখেছে চীন। যাদের মধ্যে অধিকাংশই মুসলমান। তাদের দিয়ে সেখানে জোরপূর্বক শ্রম খাটানো, নারীদের ওপর যৌন নির্যাতন ও ধর্ষণের মতো ঘটনা ঘটছে।

বিবিসি জানিয়েছে, অঞ্চলটি থেকে পালিয়ে বিদেশে আশ্রয় নেয়া কয়েকজন নির্যাতিত মানুষের বরাত দিয়ে রিপোর্টটি করা হয়েছে। হুমকির মুখে ওই নারীরা তাদের সন্তানদের নিজ দেশে দাদা-দাদির কাছে রেখে এসেছে। কিন্তু ওই শিশুগুলোকে জোর করে ধরে নিয়ে এতিমখানায় পাঠাচ্ছে চীনা কর্তৃপক্ষ।

এদিকে, শিশুদের এতিমখানা থেকে মুক্ত করে দিতে চীন সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। অবশ্য বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে এসব অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। পাশাপাশি এটাও দাবি করা হয়েছে যে, ক্যাম্পগুলোতে তাদের সন্ত্রাসবিরোধী শিক্ষা দেয়া হয়।

অ্যামনেস্টি জানিয়েছে, মিহরিবান কাদের এবং আবলিকিম মেমতিনিন নামের দুই উইঘুর নারী পুলিশি নির্যাতনের শিকার হয়ে ২০১৬ সালে ইতালিতে পালিয়ে গিয়ে আশ্রয় গ্রহণ করেন। তাদের চার সন্তানকে দাদা-দাদির কাছে রেখে যান। কিন্তু দাদিকে ক্যাম্পে ধরে নিয়ে যাওয়া হয় এবং দাদাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। এমতাবস্থায় অন্য আত্মীয়রা সন্তানদের দেখভালোর দায়িত্ব নেয়নি।

২০১৯ সালের নভেম্বরে এই দুই নারী ইতালিতে বৈধভাবে থাকার অনুমতি পান। একইসঙ্গে সন্তানদেরও দেশটিতে নিয়ে আসার জন্য বলে কর্তৃপক্ষ। কিন্তু শিশুদের আটকে রেখেছে চীনা পুলিশ এবং সরকার নিয়ন্ত্রিত এতিমখানায় পাঠিয়ে দিয়েছে। বর্তমানে আমার সন্তানরা চীন সরকারের হাতে বন্দি। জীবিতকালে তাদের আর দেখতে পাবো কিনা তা নিয়ে আমি সন্দিহান, যোগ করেন মিহরিবান কাদের।