ঢাকা ০৬:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নতুন ঋণচুক্তি নিয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগোচ্ছে, অধিকাংশ শর্তে একমত বাংলাদেশ সৌদির কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভয়াবহ হামলা, ২ বাংলাদেশিসহ নিহত  ১২ বর্জ্য থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদন প্রকল্প বাস্তবায়নে পাশে থাকার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে বাণিজ্য ও বিনিয়োগে অগ্রাধিকার দেবে ঢাকা মক্কা-মদিনার নিরাপত্তায় কোনো আপস নয়, সৌদি আরবকে সহায়তায় প্রস্তুত বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী দিল্লিতে আটক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কী ঘটেছে তাঁকে ঘিরে এসএসসিতে অকৃতকার্যদের ৩ মাসের মধ্যে ফের পরীক্ষার সুযোগ বিবেচনা করছে সরকার: মাহদী আমিন অনলাইন চাকরির প্রলোভনে ব্যবসায়ীর ২৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ, তরুণী গ্রেপ্তার শেরপুরের ৫৫ বছরেও সোমেশ্বরী নদীতে সেতু নেই, দুর্ভোগে ১৫ হাজার মানুষ হাতি সংরক্ষণ ও পর্যটন উন্নয়নে কমবে মানুষ-হাতি সংঘাত: পরিবেশমন্ত্রী

ইসরায়েল-হামাস শান্তিচুক্তি নিয়ে মোদির প্রতিক্রিয়া

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:২৪:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫ ১৯৩ বার পড়া হয়েছে

ইসরায়েল-হামাস শান্তিচুক্তি নিয়ে মোদির প্রতিক্রিয়া

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে স্বাক্ষরিত শান্তিচুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এক্স (পূর্বে টুইটার)–এ পোস্ট করে তিনি বলেন, আমরা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনার প্রথম ধাপের চুক্তিকে স্বাগত জানাই। এটি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর দৃঢ় নেতৃত্বের প্রতিফলন। বন্দিদের মুক্তি ও মানবিক সহায়তা বৃদ্ধি সবার জন্য স্বস্তি আনবে এবং স্থায়ী শান্তির পথ প্রশস্ত করবে।

মোদি আরও বলেন, এই চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তিনি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বের প্রশংসা করেন এবং ট্রাম্পের মধ্যস্থতাকে সফল উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর ইসরায়েলি পাল্টা অভিযানে গাজায় প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৬৭ হাজার ১৯৪ জন ফিলিস্তিনি। আহত হয়েছেন আরও এক লাখ ৬৯ হাজারের বেশি মানুষ, যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। দীর্ঘ দুই বছর ধরে চলা এই সংঘাতের অবসানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় সম্প্রতি ইসরায়েল ও হামাস ২০ দফা শান্তিচুক্তিতে উপনীত হয়।

চুক্তি অনুযায়ী, হামাস ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তাদের হাতে থাকা সব বন্দিকে মুক্তি দেবে এবং ইসরায়েল প্রায় দুই হাজার ফিলিস্তিনি বন্দিকে ছেড়ে দেবে। গাজায় হামাসের ভবিষ্যৎ ভূমিকা থাকবে না, তবে ইসরায়েল গাজা দখল করবে না—বরং সীমান্তে একটি বাফার জোন তৈরি করবে।

চুক্তি স্বাক্ষরের পর ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মধ্যে ফোনালাপ হয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়া, ট্রাম্প শিগগিরই ইসরায়েল সফরে যেতে পারেন। আন্তর্জাতিক মহল এই চুক্তিকে স্বাগত জানালেও অনেকে মনে করছেন, বাস্তবে শান্তির পথে এখনও অনেক চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ইসরায়েল-হামাস শান্তিচুক্তি নিয়ে মোদির প্রতিক্রিয়া

আপডেট সময় : ০৪:২৪:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫

ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে স্বাক্ষরিত শান্তিচুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এক্স (পূর্বে টুইটার)–এ পোস্ট করে তিনি বলেন, আমরা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনার প্রথম ধাপের চুক্তিকে স্বাগত জানাই। এটি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর দৃঢ় নেতৃত্বের প্রতিফলন। বন্দিদের মুক্তি ও মানবিক সহায়তা বৃদ্ধি সবার জন্য স্বস্তি আনবে এবং স্থায়ী শান্তির পথ প্রশস্ত করবে।

মোদি আরও বলেন, এই চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তিনি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বের প্রশংসা করেন এবং ট্রাম্পের মধ্যস্থতাকে সফল উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর ইসরায়েলি পাল্টা অভিযানে গাজায় প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৬৭ হাজার ১৯৪ জন ফিলিস্তিনি। আহত হয়েছেন আরও এক লাখ ৬৯ হাজারের বেশি মানুষ, যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। দীর্ঘ দুই বছর ধরে চলা এই সংঘাতের অবসানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় সম্প্রতি ইসরায়েল ও হামাস ২০ দফা শান্তিচুক্তিতে উপনীত হয়।

চুক্তি অনুযায়ী, হামাস ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তাদের হাতে থাকা সব বন্দিকে মুক্তি দেবে এবং ইসরায়েল প্রায় দুই হাজার ফিলিস্তিনি বন্দিকে ছেড়ে দেবে। গাজায় হামাসের ভবিষ্যৎ ভূমিকা থাকবে না, তবে ইসরায়েল গাজা দখল করবে না—বরং সীমান্তে একটি বাফার জোন তৈরি করবে।

চুক্তি স্বাক্ষরের পর ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মধ্যে ফোনালাপ হয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়া, ট্রাম্প শিগগিরই ইসরায়েল সফরে যেতে পারেন। আন্তর্জাতিক মহল এই চুক্তিকে স্বাগত জানালেও অনেকে মনে করছেন, বাস্তবে শান্তির পথে এখনও অনেক চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে।