ঢাকা ০৯:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪, ৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আল-জাজিরার গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছে ড. মোমেন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:২৫:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১ ২২৭ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস রিপোর্ট, ঢাকা

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেছেন, ‘বানোয়াট ও মিথ্যা তথ্য প্রচারের কারণে আল-জাজিরার গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছে। শেখ হাসিনার কোনোদিন কোনো ব্যক্তিগত বডিগার্ড ছিল না। শনিবার রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এর আগে আল-জাজিরার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়ে ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

এদিন ড. মোমেন আরও বলেন, আমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চিনি। তার ৪৫ বছরের রাজনীতির জীবনে এখন এসএফ গার্ড দেয়। কোনোদিন কোনো বডিগার্ড ছিল না। কিন্তু আল-জাজিরার প্রতিবেদনে একজনের ছবি দিয়ে বলেছে, এটা তার বডিগার্ড। এ রকমের মিথ্যা তথ্য মেনে যায় না। তিনি উল্লেখ করেন, আল-জারিরার এমন তথ্য সে তার বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়ে ফেলেছে। যেখানে ৩৩ লাখ মারা গেছে। সেখানে তারা বলে ৩ লাখ মারা গেছে। তারা অনেক সময় উল্টাপাল্টা তথ্য দেয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published.

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

আল-জাজিরার গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছে ড. মোমেন

আপডেট সময় : ০১:২৫:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১

ভয়েস রিপোর্ট, ঢাকা

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেছেন, ‘বানোয়াট ও মিথ্যা তথ্য প্রচারের কারণে আল-জাজিরার গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছে। শেখ হাসিনার কোনোদিন কোনো ব্যক্তিগত বডিগার্ড ছিল না। শনিবার রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এর আগে আল-জাজিরার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়ে ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

এদিন ড. মোমেন আরও বলেন, আমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চিনি। তার ৪৫ বছরের রাজনীতির জীবনে এখন এসএফ গার্ড দেয়। কোনোদিন কোনো বডিগার্ড ছিল না। কিন্তু আল-জাজিরার প্রতিবেদনে একজনের ছবি দিয়ে বলেছে, এটা তার বডিগার্ড। এ রকমের মিথ্যা তথ্য মেনে যায় না। তিনি উল্লেখ করেন, আল-জারিরার এমন তথ্য সে তার বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়ে ফেলেছে। যেখানে ৩৩ লাখ মারা গেছে। সেখানে তারা বলে ৩ লাখ মারা গেছে। তারা অনেক সময় উল্টাপাল্টা তথ্য দেয়।