ঢাকা ০৬:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নতুন ঋণচুক্তি নিয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগোচ্ছে, অধিকাংশ শর্তে একমত বাংলাদেশ সৌদির কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভয়াবহ হামলা, ২ বাংলাদেশিসহ নিহত  ১২ বর্জ্য থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদন প্রকল্প বাস্তবায়নে পাশে থাকার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে বাণিজ্য ও বিনিয়োগে অগ্রাধিকার দেবে ঢাকা মক্কা-মদিনার নিরাপত্তায় কোনো আপস নয়, সৌদি আরবকে সহায়তায় প্রস্তুত বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী দিল্লিতে আটক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কী ঘটেছে তাঁকে ঘিরে এসএসসিতে অকৃতকার্যদের ৩ মাসের মধ্যে ফের পরীক্ষার সুযোগ বিবেচনা করছে সরকার: মাহদী আমিন অনলাইন চাকরির প্রলোভনে ব্যবসায়ীর ২৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ, তরুণী গ্রেপ্তার শেরপুরের ৫৫ বছরেও সোমেশ্বরী নদীতে সেতু নেই, দুর্ভোগে ১৫ হাজার মানুষ হাতি সংরক্ষণ ও পর্যটন উন্নয়নে কমবে মানুষ-হাতি সংঘাত: পরিবেশমন্ত্রী

অ্যাস্ট্রাজেনেকার সরবরাহ জটিলতা কাটিয়ে ওঠার ঘোষণা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:১৯:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ এপ্রিল ২০২১ ৩২১ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অ্যাংলো-সুইডিশ ওষুধ কোম্পানি অ্যাস্ট্রাজেনেকা জানিয়েছে, এপ্রিল থেকে তারা প্রতি মাসে ২০ কোটি ডোজ করোনা ভ্যাকসিন সরবরাহ করতে পারবে। সরবরাহ জটিলতা নিয়ে নানা টানাপড়েনের পর কোম্পানিটির এ ঘোষণা প্রত্যাশার চেয়ে বেশি। এ ঘোষণার ফেলে স্টক মার্কেটে বেড়েছে কোম্পানিটির শেয়ারের দাম। আর বছরের প্রথমার্ধে কোম্পানিটি ২৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার মূল্যের করোনা ভ্যাকসিন বিক্রি করেছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা এখবর জানিয়েছে।

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

কোম্পানিটির প্রধান নির্বাহী পাসক্যাল সোরিয়ত শুক্রবার বলেছেন, তারা কখনও নিজেদের সামর্থ্যের বেশি ডোজ সরবরাহ করার প্রতিশ্রুতি দেননি। একই সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নে ভ্যাকসিন সরবরাহ কমানোর পক্ষেও সাফাই গেয়েছেন।

অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির সঙ্গে যৌথভাবে প্রথমবারের মতো ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী অ্যাস্ট্রাজেনেকা বলে আসছে, তারা মহামারি কালে ভ্যাকসিন বিক্রি থেকে কোনও মুনাফা করবে না। এমন ঘোষণার প্রেক্ষিতে শুক্রবার কোম্পানিটি ভ্যাকসিন সরবরাহ ও বিক্রির বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদন অনুসারে, ৬ কোটি ৮০ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন সরবরাহ থেকে তারা ২৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার পেয়েছে। এর মধ্যে ইউরোপে বিক্রির পরিমাণ ছিল ২২ কোটি ৪০ লাখ ডলার, উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর কাছে ৪ কোটি ৩০ লাখ ডলার এবং বাকি বিশ্বের কাছে বিক্রির পরিমাণ ছিল ৮০ লাখ ডলার। প্রতি ডোজ বিক্রি করা হয়েছে ৪ ডলার মূল্যে।

স্বল্পমূল্যের এবং সহজে পরিবহনযোগ্য হওয়ার কারণে মহামারি ঠেকাতে অ্যাস্ট্রাজেনেকা ভ্যাকসিনকে বড়ধরনের অগ্রগতি হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছিল। কিন্তু বেশ কয়েকটি ঘটনায় ভ্যাকসিন নিয়ে আশাবাদ কমে যাচ্ছে।

প্রধান নির্বাহী সোরিয়ট বলেন, উৎপাদন বাড়ার ফলে ভ্যাকসিনের চালানও বাড়ছে। মাসে ২০ কোটি ডোজ সরবরাহের পথে রয়েছে আমরা।

অ্যাস্ট্রাজেনেকার এমন ঘোষণার পর কোম্পানিটির শেয়ারের দাম অক্টোবরের তুলনায় বেড়েছে সাড়ে তিন শতাংশ। এর আগে ২০২০ সালের জুলাই মাসে কোম্পানিটির শেয়ারের দাম সর্বোচ্চ ছিল। কিন্তু বছরের শেষ দিকে তা ৪ শতাংশ কমে যায়।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

অ্যাস্ট্রাজেনেকার সরবরাহ জটিলতা কাটিয়ে ওঠার ঘোষণা

আপডেট সময় : ০৫:১৯:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ এপ্রিল ২০২১

অ্যাংলো-সুইডিশ ওষুধ কোম্পানি অ্যাস্ট্রাজেনেকা জানিয়েছে, এপ্রিল থেকে তারা প্রতি মাসে ২০ কোটি ডোজ করোনা ভ্যাকসিন সরবরাহ করতে পারবে। সরবরাহ জটিলতা নিয়ে নানা টানাপড়েনের পর কোম্পানিটির এ ঘোষণা প্রত্যাশার চেয়ে বেশি। এ ঘোষণার ফেলে স্টক মার্কেটে বেড়েছে কোম্পানিটির শেয়ারের দাম। আর বছরের প্রথমার্ধে কোম্পানিটি ২৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার মূল্যের করোনা ভ্যাকসিন বিক্রি করেছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা এখবর জানিয়েছে।

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

কোম্পানিটির প্রধান নির্বাহী পাসক্যাল সোরিয়ত শুক্রবার বলেছেন, তারা কখনও নিজেদের সামর্থ্যের বেশি ডোজ সরবরাহ করার প্রতিশ্রুতি দেননি। একই সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নে ভ্যাকসিন সরবরাহ কমানোর পক্ষেও সাফাই গেয়েছেন।

অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির সঙ্গে যৌথভাবে প্রথমবারের মতো ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী অ্যাস্ট্রাজেনেকা বলে আসছে, তারা মহামারি কালে ভ্যাকসিন বিক্রি থেকে কোনও মুনাফা করবে না। এমন ঘোষণার প্রেক্ষিতে শুক্রবার কোম্পানিটি ভ্যাকসিন সরবরাহ ও বিক্রির বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদন অনুসারে, ৬ কোটি ৮০ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন সরবরাহ থেকে তারা ২৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার পেয়েছে। এর মধ্যে ইউরোপে বিক্রির পরিমাণ ছিল ২২ কোটি ৪০ লাখ ডলার, উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর কাছে ৪ কোটি ৩০ লাখ ডলার এবং বাকি বিশ্বের কাছে বিক্রির পরিমাণ ছিল ৮০ লাখ ডলার। প্রতি ডোজ বিক্রি করা হয়েছে ৪ ডলার মূল্যে।

স্বল্পমূল্যের এবং সহজে পরিবহনযোগ্য হওয়ার কারণে মহামারি ঠেকাতে অ্যাস্ট্রাজেনেকা ভ্যাকসিনকে বড়ধরনের অগ্রগতি হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছিল। কিন্তু বেশ কয়েকটি ঘটনায় ভ্যাকসিন নিয়ে আশাবাদ কমে যাচ্ছে।

প্রধান নির্বাহী সোরিয়ট বলেন, উৎপাদন বাড়ার ফলে ভ্যাকসিনের চালানও বাড়ছে। মাসে ২০ কোটি ডোজ সরবরাহের পথে রয়েছে আমরা।

অ্যাস্ট্রাজেনেকার এমন ঘোষণার পর কোম্পানিটির শেয়ারের দাম অক্টোবরের তুলনায় বেড়েছে সাড়ে তিন শতাংশ। এর আগে ২০২০ সালের জুলাই মাসে কোম্পানিটির শেয়ারের দাম সর্বোচ্চ ছিল। কিন্তু বছরের শেষ দিকে তা ৪ শতাংশ কমে যায়।